psychology of popularity of reels

1 মানুষ রিল কেনো দেখে?

তাৎক্ষণিক আনন্দ (Instant Gratification) এইটা হাই স্পিড প্রফিট এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে গঠিত যেখানে 300%প্রফিট টা ন্যূনতম প্রফিট হিসেবে স্বপ্ন দেখা হয় তার side effect হয়ে রিল জনপ্রিয় হচ্ছে।রিল সাধারণত ১৫-৬০ সেকেন্ডের মধ্যে থাকে, যা মস্তিষ্ককে দ্রুত ডোপামিন (dopamine) রিলিজ করতে সাহায্য করে। এই নিয়ম 2 generation ধরে চলতে থাকলে ঠগ বাজ এ পৃথিবী ভর্তি হয়ে যাবে এবং কোন ধরনের currency কে কোন ধরনের মানুষ আর বিশ্বাস করবে না ফলে বিশ্বাস ভিত্তিক অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।কমিটমেন্টের প্রয়োজন নেই (Low Commitment Entertainment) যেই কারণে one night স্ট্যান্ড গুলো চলে অর্থাৎ যেই কারণে commitment ছাড়া প্রাপ্তির পৃথিবী তৈরি হয় সেই একই কারণে রিল বেশি জনপ্রিয় হয়। Low commitment entertainment এ অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া প্রজাতি তে পৃথিবী সম্পূর্ণ commitment হীন হয়ে উঠবে খুব তাড়াতাড়ি।সিনেমা বা সিরিজের জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় করার দরকার নেই।মানুষ চাইলেই ৫-১০ সেকেন্ড দেখে স্ক্রল করতে পারে, যা এটিকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।

2 ফিল্ম এর থেকে রিল কেনো বেশি টানে সমস্ত বয়স এর মানুষ কে?
3 রিল সাধারণত পোর্ট্রেট মোড এ তৈরি হয় বলেই কি মানুষ এর চোখে দেখার আনন্দ বেশি হয়? (এই প্রসঙ্গে একটা গাণিতিক ব্যাখ্যা least action principle LAP (যেখানে energy ×time duration কে action রূপে সংজ্ঞায়িত করে physics)এর সাহায্যে বুঝতে চাইলে বুঝবো কিছু রকমের internal energy কে সংজ্ঞায়িত করবো E handling + E eye habit+E portrait mode+E landscape mode + E observing+E visualization+E freedom to choose+E freedom to get+E readiness to prepare+E readiness to basic instincts ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি) নিয়ে দেখলে কি অনেক ক্ষণ ধরে রিল দেখলেও least action এর কারণে internal mental stress কম হয়???হাতে ফোন টা পোর্ট্রেট মোড এ ধরার stress+ পোর্ট্রেট মোড এ দেখলে চোখের উপর stress) আর এই সংক্রান্ত চিন্তার ক্ষেত্রে বুঝতে চাইছি যে film এর থেকে অনেক বেশি বেসিক ইনস্টিংক্ট কে support করে কি রিল???  (মানুষ এর entertainment চয়ন এর ক্ষেত্রে basic instinct গুলো কতো রকমের এবং কি কি??? সেই basic instinct গুলোর priority লিস্ট এর সাপেক্ষে বুঝতে চাইছি রিল দেখা টা বেশি পপুলার হলো কেনো???
১. মানুষ রিল কেনো দেখে?
মানুষ রিল দেখে প্রধানত নিম্নলিখিত কারণগুলোর জন্য কিছু মৌলিক দিক আলোচনা করবো ধরে ধরে।
1. তাৎক্ষণিক আনন্দ (Instant Gratification) এইটা হাই স্পিড প্রফিট এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে গঠিত যেখানে 300%প্রফিট টা ন্যূনতম প্রফিট হিসেবে স্বপ্ন দেখা হয় তার side effect হয়ে রিল জনপ্রিয় হচ্ছে।রিল সাধারণত ১৫-৬০ সেকেন্ডের মধ্যে থাকে, যা মস্তিষ্ককে দ্রুত ডোপামিন (dopamine) রিলিজ করতে সাহায্য করে।
দীর্ঘমেয়াদী কন্টেন্টের (যেমন ফিল্ম) তুলনায় অপেক্ষা কম, তাই আনন্দ পাওয়ার সময়ও কমে যায়।
2. কমিটমেন্টের প্রয়োজন নেই (Low Commitment Entertainment) যেই কারণে one night স্ট্যান্ড গুলো চলে অর্থাৎ যেই কারণে commitment ছাড়া প্রাপ্তির পৃথিবী তৈরি হয় সেই একই কারণে রিল বেশি জনপ্রিয় হয়। Low commitment entertainment এ অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া প্রজাতি তে পৃথিবী সম্পূর্ণ commitment হীন হয়ে উঠবে খুব তাড়াতাড়ি।সিনেমা বা সিরিজের জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় করার দরকার নেই।মানুষ চাইলেই ৫-১০ সেকেন্ড দেখে স্ক্রল করতে পারে, যা এটিকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।
3. Random Surprise Element (নতুনত্ব ও অপ্রত্যাশিত কন্টেন্ট) টা অনেক রিসার্চ করে করে করে মানুষ বুঝেছে নিজেকে যে অ্যালগরিদম অনুযায়ী প্রতিটি রিল নতুন ও আলাদা হয়, ফলে "নতুন কিছু দেখার" আকর্ষণ অবচেতনভাবে কাজ করে।এটি মানুষের নিউরোলজিকাল রিওয়ার্ড সিস্টেম কে বারবার উত্তেজিত করে, ফলে স্ক্রলিং থামানো কঠিন হয়ে যায়।
4. Low Cognitive Load (কম মস্তিষ্কের পরিশ্রম)
রিল দেখার জন্য কম মনোযোগ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়।ফিল্ম বা দীর্ঘ কন্টেন্টে স্টোরিলাইন বুঝতে হয়, চরিত্র চিনতে হয়, যেখানে রিলে তা নেই।
5. Accessibility & Habit Formation এর দিক থেকে দেখলে বুঝি যে মোবাইল-ফোকাসড ডিজাইন (যে কেউ সহজেই পোর্ট্রেট মোডে দেখে)।অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী কন্টেন্ট সাজায়, তাই এটি একটি অভ্যাসে (habit) পরিণত হয়।
২. ফিল্মের থেকে রিল কেন বেশি টানে সমস্ত বয়সের মানুষকে? আর এটি মূলত মানুষের attention span, cognitive load, basic instinct এবং habit formation এর ওপর নির্ভর করে।
(A) Attention Span ছোট হচ্ছে → রিল বেশি আকর্ষণীয়
মানুষের গড় মনোযোগের স্থায়িত্ব (attention span) ২০০০ সালে যেখানে ১২ সেকেন্ড ছিল, এখন সেটি ৮ সেকেন্ড বা তারও কম!ফলে দীর্ঘ কন্টেন্ট (ফিল্ম, সিরিজ) দেখার ধৈর্য কমে যাচ্ছে।রিলের ছোট দৈর্ঘ্য (15-30 সেকেন্ড) মানসিকভাবে কম ক্লান্তিকর (less mentally exhausting), যা এটিকে জনপ্রিয় করেছে।
(B) Cognitive Load কম → রিল বেশি সহজলভ্য
ফিল্ম দেখতে হলে চরিত্র, প্লট, সিনেমাটোগ্রাফি বুঝতে হয়।
রিলে সরাসরি বাস্তবতা, বিনোদন, কমেডি, বা ক্যাচি ট্রেন্ড থাকে—কোনো কিছু বোঝার প্রয়োজন নেই।
এটির জন্য cognitive load অনেক কম হয়, যা মানুষের কাছে রিলকে বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।
(C) Basic Instinct Support → রিলের আকর্ষণ বেশি
মানুষের বেসিক ইনস্টিংক্ট (basic instincts) অনুসারে রিল তার কন্টেন্ট সাজায়, যা সিনেমার তুলনায় অন্তর্জাত চাহিদার সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কিছু উদাহরণ দিচ্ছি 
Survival Instinct → Motivational রিল (জীবন বদলে দেবে!)
Sexual Instinct → আকর্ষণীয় বা গ্ল্যামারাস রিল
Social Instinct → হাসির/ট্রেন্ডিং ভিডিও
Curiosity Instinct → চমকপ্রদ/অবিশ্বাস্য রিল
ফলে, প্রতিটি রিল একধরনের প্রাথমিক মানবিক প্রবৃত্তিকে (primitive instinct) উত্তেজিত করে, যা সিনেমার তুলনায় অনেক বেশি সরাসরি এবং দ্রুত কাজ করে।
৩. রিল সাধারণত পোর্ট্রেট মোডে তৈরি হয় বলেই কি মানুষ দেখার আনন্দ বেশি পায়? হ্যা অবশ্যই এটি Least Action Principle (LAP) দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
(A) Least Action Principle অনুযায়ী ব্যাখ্যা করি কিছুটা যাতে physics এর subject হিসেবে ও এটা দেখা যায় সহজেই ।Least Action Principle অনুসারে, Action = Energy × Timeঅর্থাৎ, যে বিনোদন মাধ্যমে কম এনার্জি ও কম সময় লাগে, সেটিই বেশি জনপ্রিয় হবে।এখন, মানুষের দৃষ্টিশক্তি (visual perception) এবং শারীরবৃত্তীয় কিছু কারণ যুক্ত করলে গাণিতিক ভাবে সংজ্ঞা সহ দেখলে বুঝতে পারি যে 
E_handling (মোবাইল ধরা)  শক্তি ক্ষয়ের দিক থেকে দেখলে বুঝি যে পোর্ট্রেট মোডে সহজেই ধরে রাখা যায়।
 E_eye habit (চোখের অভ্যাস) → মোবাইল ব্যবহার করতে করতে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেছে।
 E_portrait mode (স্ক্রিনের ফিটিং) → মোবাইলের স্ক্রিন পোর্ট্রেট মোডের জন্য অপ্টিমাইজড।
E_observing (দৃষ্টি কেন্দ্র) → মানুষের চোখ কেন্দ্রীভূত থাকে, ল্যান্ডস্কেপ মোডের তুলনায় কম চোখ নাড়ানোর প্রয়োজন হয়।
 E_freedom to choose (পছন্দের স্বাধীনতা) → স্ক্রল করে সহজে চেঞ্জ করা যায়, যা dopamine release বাড়ায়।
E_readiness to prepare (কম প্রস্তুতি) → ফিল্ম দেখার জন্য পরিবেশ তৈরি করতে হয়, রিলের জন্য তা দরকার নেই।
E_basic instincts (জীববৈজ্ঞানিক প্রবৃত্তি) → মুহূর্তেই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর ফলে রিল দেখার সময় টোটাল "Action" অনেক কম → মস্তিষ্ক ও চোখ কম পরিশ্রম করে → মানুষ বেশি আরাম পায়!
৪. ফিল্মের তুলনায় রিল বেশি বেসিক ইনস্টিংক্টকে সাপোর্ট করে কি? অবশ্যই হ্যাঁ, কারণ রিলের প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের প্রাথমিক ইনস্টিংক্ট বা প্রবৃত্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।মানুষের Basic Instinct এর Priority List এবং রিলের ভূমিকাগুলোর দিক থেকে দেখলে বুঝি যে সিনেমা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গল্প বা বিষয় নিয়ে এগোয়, যা সব ইনস্টিংক্ট একসঙ্গে সাপোর্ট করতে পারে না।
কিন্তু রিল প্রত্যেকটি ইনস্টিংক্টের জন্য আলাদা আলাদা ভিডিও তৈরি করে, এবং মানুষ সহজেই নিজের পছন্দের রিল বেছে নিতে পারে। Least Action Principle অনুসারে কম সময়ে বেশি dopamine release হয়।Basic Instinct অনুযায়ী প্রতিটি রিল একধরনের সহজাত প্রবৃত্তিকে ট্রিগার করে।পোর্ট্রেট মোড ও মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন মানুষের চোখ ও হাতে কম stress দেয়।Low Cognitive Load থাকায় সহজেই মানুষ এটিতে অভ্যস্ত হয়। "Habit Formation Loop" তৈরি হয়, যা মানুষকে লুপের মধ্যে আটকে রাখে। রিল মানুষের বায়োলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল সিস্টেমের সাথে এত ভালোভাবে মানিয়ে গেছে যে এটি সিনেমার তুলনায় অনেক বেশি আসক্তিকর!
তাৎক্ষণিক আনন্দের (Instant Gratification) দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব। এটা শুধু রিলের জনপ্রিয়তা নিয়ে নয়, বরং মানুষের মনস্তত্ত্ব, সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো, এবং সম্পর্কের গঠনকেও প্রভাবিত করছে।  এই ব্যাপারটা আরও গভীরভাবে দেখি এবং কিছু আলাদা আলাদা ফ্রেমওয়ার্কে ও এগুলোকে তাহলে ব্যাখ্যা করি।
১. তাৎক্ষণিক আনন্দ (Instant Gratification) → উচ্চগতির প্রফিট মডেল ও বিশ্বাসভঙ্গের শঙ্কা থাকে।
High-speed profit mindset ও রিল কালচার একই ধরনের মানসিকতা তৈরি করে। ৩০০% প্রফিট মডেল → ইনভেস্টমেন্ট দুনিয়ায় আজকের ট্রেন্ড হয়ে উঠেছে আর এই ট্রেন্ড তৈরি করার জন্য রিল কালচার কে অভ্যস্ত করানো দরকার।মানুষ স্বল্প মেয়াদী massive return আশা করে, যা আর্থিকভাবে নৈতিকতার ভিত্তি দুর্বল করে।শেয়ার বাজার থেকে ক্রিপ্টো পর্যন্ত বড় লাভ তাড়াতাড়ি আসবে—এই মেন্টালিটি “get-rich-quick” mindset কে জনপ্রিয় করেছে।কিন্তু যখন পুরো সমাজ তাৎক্ষণিক লাভকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে মেনে নেয়, তখন দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যায়। “ঠগবাজে পৃথিবী ভর্তি হয়ে যাবে” → বিশ্বাস ভিত্তিক অর্থনীতির পতন হবেই কিনা তার আলোচনা দরকার।সমস্ত আধুনিক অর্থনীতি আসলে বিশ্বাসের (Trust-based economy) ওপর দাঁড়িয়ে আছে।ব্যাংকিং সিস্টেম, ক্রেডিট, ফিয়াট কারেন্সি—সবকিছুই লোকেরা বিশ্বাস করায় টিকে আছে।কিন্তু রিল কালচারের মতো instant gratification system মানুষকে স্বল্পমেয়াদী চিন্তাভাবনায় অভ্যস্ত করে তুলছে, ফলে ধৈর্য, প্রতিশ্রুতি (commitment), ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নষ্ট হচ্ছে।এর ফলে মানুষ শুধুমাত্র শর্ট টার্ম লাভ খোঁজে → অর্থনীতিতে ধ্বংসাত্মক চক্র তৈরি হয়।সবার মধ্যে “Fast Money Mentality” → যার ফলে “ধোঁকা” ও "Scam-based economy" বেড়ে যায়। মানুষ আর কারও প্রতিশ্রুতি বিশ্বাস করবে না → Currency ও economic system ক্র্যাশ করবে।
২. Low Commitment Entertainment → Commitment-হীন সমাজ ও সম্পর্কের পতন
"One Night Stand Culture" ও "Low Effort Relationship"মানুষ কমিটমেন্টহীন বিনোদনে অভ্যস্ত হলে ব্যক্তিগত সম্পর্কেও এই অভ্যাস ঢুকে যায়।Tinder, hookup culture, one-night-stand এগুলো আসলে low-commitment gratification এর বাস্তবিক রূপ।
"Effortless World = Meaningless World"
পুরনো যুগের প্রেম-ভালোবাসা ছিল ধৈর্যের ওপর ভিত্তি করে (চিঠি লেখা, অপেক্ষা করা, বোঝাপড়া তৈরি করা)।


কিন্তু এখন “চাই, তাই পাচ্ছি” কালচার গড়ে উঠেছে—এতে বিনিয়োগ (effort) নেই, তাই মূল্যও নেই। এর ফলে মানুষের ধৈর্য ও সম্পর্ক গঠনের ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।Deep connection ও গভীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।দায়িত্বহীনতা সমাজের মূলধারা হয়ে উঠছে।
৩. Fast Content = Fast Forgetting = Low Value Society তৈরি করার প্রচেষ্টা হচ্ছে অর্থাৎ মানুষ খুব দ্রুত তথ্য গ্রহণ করে, কিন্তু ধরে রাখতে পারে নারিলের মতো প্ল্যাটফর্মে high-speed information consumption হয়।কিন্তু মানুষের “দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি (long-term memory)” তৈরি হতে সময় লাগে।
মানুষ দ্রুত দেখলে দ্রুত ভুলে যায় → যা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা কমিয়ে দেয়।এর ফলে মানুষ কম শিখছে, কম চিন্তা করছে, কম গভীরতার সঙ্গে ভাবছে। সমাজ ক্রমশ shallow হয়ে যাচ্ছে—অর্থাৎ সবকিছু সুপারফিশিয়াল (পৃষ্ঠতলের পর্যায়ে)।তথ্যপ্রবাহ অনেক বেশি কিন্তু জ্ঞান ও গভীরতা অনেক কম!
৪. সিনেমা বনাম রিল: কেনো সিনেমার মূল্য কমছে?
রিল হচ্ছে "Entertainment Junk Food" → সিনেমা হচ্ছে "Slow-cooked Meal"।রিল এর মজা হচ্ছে যে এগুলো তাৎক্ষণিক আনন্দ, দ্রুত স্ক্রল, zero effort consumption।সিনেমা গুলোর ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে এগুলো ধীরে তৈরি করা, গভীর গল্প, মনোযোগ ধরে রাখা প্রয়োজন।শর্ট-কাট মস্তিষ্কে প্রাধান্য পেতে শুরু করেছে, ফলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদী প্লট ও জটিল সিনেমা এড়িয়ে যাচ্ছে। সমাজের চিন্তাধারা দ্রুতগতিতে shallow হয়ে পড়ছে।ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী storytelling ও গভীর আর্ট ফর্ম হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।
1. তাৎক্ষণিক আনন্দ (instant gratification) → উচ্চগতির প্রফিট মডেলকে সাপোর্ট করছে → যা ধীরে ধীরে বিশ্বাসভিত্তিক অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
2. Low-commitment entertainment → Low-commitment relationship ও দায়বদ্ধতা-হীন সমাজ তৈরি করছে।
3. Fast content consumption → Low memory retention → Shallow society
4. শর্ট-টার্ম লাভের মানসিকতা → ধৈর্য ও গভীরতা হারিয়ে যাচ্ছে → দীর্ঘমেয়াদী storytelling ও meaningful content হারিয়ে যাচ্ছে।এখন প্রশ্ন হলো, আমরা কি ভবিষ্যতে শুধুই একটানা স্ক্রল করা shallow human beings হয়ে যাব? নাকি এর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো?


Comments

Popular posts from this blog

SANJOYNATHSMANIMMOVIES___SCENE.PY

GTTERMS_FORMALIZATION_GEOMETRIFYING_TRIGONOMETRY

MOTIVES AND THE AXIOMS OF GEOMETRIFYING TRIGONOMETRY