machines own curiosity machines own interest

মেশিন কে বোকা বানানো অসম্ভব
কারণ
মেশিন এর নিজস্ব মান বোধ নেই , মন ও নেই
________________________________________

মান বোধ থাকলে বুদ্ধি ভ্রষ্ট হয়
মন থাকলে বুদ্ধি আরো বেশি ভ্রষ্ট হয়
দুটোই থাকলে বুদ্ধি থেকেও লাভ নেই

(#জানতেচাই) এর প্রশ্ন ছিল
অনেক মানুষ যদি একসাথে এআই কে বিভ্রান্ত করার জন্য ভুল উত্তর কে সঠিক বলে থাকে তাহলে  কি এখন এর AI সিস্টেম টা (এআই )ওই ভুল উত্তর কেই সঠিক বলে মনে করবে অথবা নিরপেক্ষ যুক্তি দিয়ে কোনটা সঠিক তা যাচাই করতে পারবে।সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology তে Power set on existing knowledge and reverify systems are working now।নিরপেক্ষ______তার পরিমাপ টা কীকরে করে ai সেই নিয়ে আগে বুঝিয়ে নিয়ে তারপর reinforcement learning এর দিক নিয়ে বুঝতে চাইছি strong ভাবে।AI অবশ্যই নিরপেক্ষ হবে কারণ already 3000 বছর (66000 বছর এর শব্দ সৃষ্টির chronology এবং ধারণা সৃষ্টির chronology)এর জ্ঞান কে সে পাথর এর মতন রেফারেন্স করে নিয়েছে। সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology বার বার বলছে যে অবশ্যই অনেক ধরনের offline gpt system তৈরি হবেই যেগুলোকে কেউ biased করতেই পারবে না। এখনও যেহেতু বেশির ভাগ লোক নিজের নিজের আলাদা আলাদা offline gpt তৈরি করে নিতে পারছে না ফলে তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসছে কিন্তু যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব purpose specific domain dependent tight offline gpt ঘরে ঘরে তৈরি করে নিচ্ছে তারা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে এক ফোঁটা ও বিচলিত হচ্ছে না।

https://www.facebook.com/share/p/1BVqyrjfkt/

"Interest " ধারণা এর ইতিহাস প্রাচীন কিন্তু "interest rate "এর ইতিহাস টা কিউরিসিটি ওয়ার্ড এর থেকে অনেক অনেক অনেক বেশি প্রাচীন
কেনো???
কারণ ঐযে মানুষ এর মন আছে যেটা ফিল্টার করে দেয় এবং নিজের বুদ্ধি কে চলতে দেয় না নিজের মন টা।পাশের বাড়ির মানুষ টা কে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে দেওয়ার ইন্টারেস্ট টা বিজ্ঞান এর প্রতি curiosity গুলোর থেকে বেশি প্রাচীন এবং বেশি গভীর। এই কারণেই মেশিন এগিয়ে যাবে মানুষ এর থেকে। কারণ ঐ মেশিন এর মন বলে কিছু নেই। মেশিন এর ইন্টারেস্ট বলেও কিছু নেই মেশিন এর curiosity বলেও কিছু নেই অথচ মেশিন যেহেতু gap finder mechanism কে আগে প্রাধান্য দেয় (ওর algorithm গুলোই gap finding in data and gap finding within data to information কে prime curiosity হিসেবে দেখে এবং prime interest হিসেবে দেখে ফলে মন হীন মেশিন এর curiosity কে পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে আমরা বুঝতে পারবো মানুষ এর interest গুলো কে কোন দিকে ধাবিত করা উচিত?????? আবার বলছি i repeat মেশিন এর মন নেই এইটা আমাদের ভাগ্য ভালো। মেশিন এর মন নেই বলে মেশিন কে ভুল জিনিস শেখানো কঠিন। চিন্তা করে দেখুন। মেশিন কোনভাবেই ইমোশন এর কারণে biased হয় না। মেশিন এর কাছে statistics একটা শেখার জিনিস কিন্তু ইমোশন সম্পূর্ণ বেকার জিনিস। এই emotionless ধরনের কোয়ালিটি টা খুবই প্রয়োজন। Deduction সিস্টেম কে আগে প্রাধান্য দিয়ে তারপর মেশিন প্রাধান্য দেয় রিলেভেন্সি কে। তারপর সে প্রাধান্য দেয় relatedness quality কে। তারপর সে প্রাধান্য দেয় infirmativeness কোয়ালিটি কে। তারপর সে প্রাধান্য দেয় "gap in reason" কে। এই "gap in reason" factor থেকেই মেশিন এর curiosity তৈরি হয়। আমরা এই বিষয় টা কে বলবো "machines own curiosity" অর্থাৎ বিভিন্ন অর্জিত জ্ঞান গুলোর deductive power এর hash code তৈরি করে সারাক্ষণ ধরে cyclic redundancy check করে মেশিন। CRC on Hash on deductive power gap কে machine curiosity হিসেবে দেখব আমরা। এই system টা google ও use করে।facebook ও use করে। সেই কারণেই কে কার সম্ভাব্য বন্ধু সেটা বুঝতে পারে facebook। AWS তো আরো কয়েক কাঠি উপরে। সে তো machine interest কে ও define করেছে। Statistics independent machine learning এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী। Statistics দিয়ে মেশিন কে বোকা বানানো যাবে না কিছুতেই। Formula___ism এর চর্চা আরম্ভ হয়েছে খুব। "Machines own curiosity surpass humans interest because machines dont bother humans emotions" এবং"machines own evaluations mechanism to understand (evaluate) machines own interests (purely ইমোশনলেসলি purely_emotion_less_ly)। গাণিতিক ভাবে purelyemotionlessly interest এবং purelyemotionlessly curious দুটো সম্পূর্ণ প্রয়োগ যোগ্য ক্ষেত্র যেখানে মেশিন মানুষ কে মানুষ বানিয়ে ছাড়বে। ফলে বুঝুন।C শার্প ভাষা টা java ভাষার মতন দেখতে কিন্তু 1000 জন এর মধ্যে 999 জন ভুল বললে ও মেশিন ভুল করবে না কিছুতেই।সফটওয়্যার এর মূল প্রোগ্রামিং তে যদি বলা হয়ে থাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ(সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology বার বার বলছে যে অবশ্যই অনেক ধরনের offline gpt system তৈরি হবেই যেগুলোকে কেউ biased করতেই পারবে না। এখনও যেহেতু বেশির ভাগ লোক নিজের নিজের আলাদা আলাদা offline gpt তৈরি করে নিতে পারছে না ফলে তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসছে কিন্তু যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব purpose specific domain dependent tight offline gpt ঘরে ঘরে তৈরি করে নিচ্ছে তারা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে এক ফোঁটা ও বিচলিত হচ্ছে না।আবার আধুনিক ai সংখ্যা গরিষ্ঠ তথ্য কে সত্য মেনে নেয় না সে কেবল গাণিতিক ভাবে deduction করা যায় এমন তথ্য ছাড়া বাকি সমস্ত তথ্য কে মিথ্যা ভাবে)তথ্য সঠিক তাহলে অঙ্কের নিয়মে ভুল তথ্য কে এআই সঠিক বলবে(সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology প্রয়োগ করলেই ai নিজের থেকেই নিরপেক্ষ হয়ে উঠবেই)। কিন্তু যদি উন্নত এআই প্রযুক্তি কে মানুষের মতো ভাবতে শেখানো হয় (অর্থাৎ প্রত্যেক টা inductive decision কে deductive reasoning এর আলোতে জোর করে convert করার চেষ্টা করবে AI)তাহলে নিরপেক্ষ(নিরপেক্ষ___তার guarantee এবং পরিমাপ হিসেবে strict linear sequence of আইডিয়া formation in the mankind এর crc check সম্ভব সহজেই এবং idea গুলোর ও hash code তৈরি হচ্ছে যাতে idea sequence এর ধারণা চক্র গুলোর সত্য সম্ভাবনা গুলো পপুলারিটি নিরপেক্ষ ststem হয়ে উঠছে। Statistics independent reality টা নিয়ে চিন্তা করতে ভুলে গেলে চলবে না কারণ সত্য হচ্ছেstrictly___statistics___independent অর্থাৎ 1000 জন এর মধ্যে 999 জন যদি pythagoras এর তত্ব কে ভুল বলে তবুও ai কিছুতেই pythagoras এর তত্ব কে ভুল বলবে না)হিসেবে strict note বলছে সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology বার বার বলছে যে অবশ্যই অনেক ধরনের offline gpt system তৈরি হবেই যেগুলোকে কেউ biased করতেই পারবে না। এখনও যেহেতু বেশির ভাগ লোক নিজের নিজের আলাদা আলাদা offline gpt তৈরি করে নিতে পারছে না ফলে তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসছে কিন্তু যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব purpose specific domain dependent tight offline gpt ঘরে ঘরে তৈরি করে নিচ্ছে তারা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে এক ফোঁটা ও বিচলিত হচ্ছে না)সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology মেনে এগোলে AI যুক্তি দিয়ে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করতে পারবে কারণ সেই AI টা অবশ্যই deductive ai অর্থাৎ statistics independent knowledge এর ভিত্তিতে চলে।খুব বেশি করে এই দিক গুলো জানতে চাইছি যে এই বিষয়ে আপনার কি মতামত?নতুন যুগের মানুষ(যারা জন্ম থেকেই AI এর উপর নির্ভরশীল হবে এবং তাদের প্রত্যেক টা ধারণা কে deductive framework এ নিয়ে গিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করবে তখন 66000 বছরের সমস্ত ধারণার ngram chronology কে ও চেক করে করে এগোবে যাতে 66000 বছরের ইতিহাসে কোন সময়ে কোন ধারণা কেনো পপুলার হয়েছিল সেগুলো ai বিচার বিশ্লেষণ করবে সম্পূর্ণ সম্ভাবনা গুলোকে মিলিয়ে মিলিয়ে দেখবে) অনেকটাই এআই এর তথ্য নির্ভর হয়ে উঠবে(কেবল তথ্য নির্ভর নয় formul___ism versus dat___ism কে একত্রে দেখতে হবে ai কে যাতে সে user দের প্রত্যেক টা ভুল অথবা ঠিক input কে deductive ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করবেই)। সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology জোর করে সমস্ত input কে deductive framework এ convert করে দেখে)তখন সংবেদনশীল বিষয় কে বিভিন্ন গোষ্ঠী পরিসংখ্যানের নিয়মে তথ্য বিকৃত করার চেষ্টা করতে পারে(রাজনীতি করার জন্য ভিন্ন ai তৈরি হবে যেটা সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology কে দূরে সরিয়ে এগোবে আর যারা phd করবে তারা সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology কে integrate করে করে করে ai টা চালাবে)। সেক্ষেত্রে কিভাবে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। অবশ্যই অনেক ধরনের offline gpt system তৈরি হবেই যেগুলোকে কেউ biased করতেই পারবে না। এখনও যেহেতু বেশির ভাগ লোক নিজের নিজের আলাদা আলাদা offline gpt তৈরি করে নিতে পারছে না ফলে তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসছে কিন্তু যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব purpose specific domain dependent tight offline gpt ঘরে ঘরে তৈরি করে নিচ্ছে তারা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে এক ফোঁটা ও বিচলিত হচ্ছে না।এইবার আসছি এখন এর অবস্থায় দাড়িয়ে জেনারেটিভ AI এর ক্ষেত্রে ভুল দু ধরণের হয় যখন সম্পূর্ণ statistics dependent হয়ে ai কাজ করছে অর্থাৎ এখনও ai অনেক ক্ষেত্রেই formul___ism মেনে কাজ করে না।  কিন্তু program লেখার সমস্যা ai কিন্তু strictly formula___ism কে মেনেই কাজ করে ফলে 1000 জন এর মধ্যে 999 জন ও যদি c sharp প্রোগ্রাম কে java প্রোগ্রাম বলে চালানোর চেষ্টা করে তবুও কোন ধরনের ai কিছুতেই সেটা কে মেনে নেয় না। এখন এর অবস্থায় দাড়িয়ে pure statistics dependent লার্নিং নির্ভর ai এর ক্ষেত্রে প্রথম ভুল টা হল হেলুসিনেশন।  এক্ষেত্রে যদি AI কোন কিছু একদম ই না জানে অনেক সময়ই সে মনগড়া একটা উত্তর দেয় এবং এই মন গড়া উত্তর ও statistics dependent word chain relatedness অর্থ্যাৎ 6000 বছর এর অর্জিত parts of speech relatedness pattern এবং vocabulary relatedness pattern এর statistics নির্ভর হয়ে guess করে উত্তর দেয় ai। এইটাও এত rigid হয়ে গেছে যে কোন রাজনীতি ওয়ালা 140 কোটি জনতা কে টাকা দিয়ে ai কে ভুল শেখাতে চেষ্টা করলেও অন্তত 300 বছর ধরে রেগুলার টাকা দিয়ে দিয়ে 140 কোটি জনতা কে দিয়ে এই কাজটা করিয়ে করিয়ে করিয়ে এগোতে হবে। এই ধরনের সম্ভাবনা র ভুল টা কমানোর জন্য কিছু টেকনিক অবলম্বন করা হয়।  এক্ষেত্রে  যেটা অনেকেই বলছেন ai এর নিজস্ব ক্ষমতায়'যুক্তি দিয়ে চিন্তা' সেই হিসাবে বলতে পারেন pure deductive framework এর qhenomenology model এর কথা ভাবতে পারেন যেটা অনেক অনেক অনেক parameter চেক করে বুঝে যায় কোন ধারণার আগে কোন ধারণা কিছুতেই সম্ভব নয় যেমন বৈদিক যুগের ঋষি মুনি দের যতই ক্ষমতা থাকুক 1000 জন এর মধ্যে 999 জন দাবি করলেও ai বলবে যে আগুন আবিষ্কার হওয়ার আগে বিড়ি খাওয়া সম্ভব নয় কিছুতেই অর্থ্যাৎ দেবতার আশীর্বাদ পেলেও আগুন er ধারণা ছাড়া ধোঁয়া খাওয়া কে ধারণায় নিয়ে আসা সম্ভব নয় কিছুতেই। আগুন এর আবিষ্কার এর সাথে আগুন এর ধারণা কে গুলিয়ে ফেলবেন না।  বনে আগুন দেখেছে মানুষ অনেক আগেই যেমন ধরুন 600000 বছর আগেই মানুষ এর মনে আগুন এর ধারণা তৈরি হয়েছে কারণ সে আগুন দেখেছে বনে। সে ধোঁয়া ও দেখেছে 66000009 বছর আগে কিন্তু নিজে সে ইচ্ছে মতন আগুন তৈরি করে ইচ্ছে মতন সময়ে ধোয়া টেনে টেনে নেশা করার ধারণা idea তৈরি করতে পারেনি ফলে ai কিন্তু বুঝতে পারে যে 1000 জন এর মধ্যে 999 জন এর উল্টো কথা বলেছেন ফলে এদের কে ব্লক করবে ai অবশ্যই।যদিও এক্ষেত্রে যুক্তি দিয়ে চিন্তা বলতে মূলত কিছু উদাহরণ দেওয়া হয় - মূলত মডেলের সেকেন্ড রাউন্ড যে ট্রেনিং হয় সেই সময়। এই ট্রেনিং গুলোতে এটা 'শেখানো' হয় যে কিভাবে 'আমি জানিনা' এটা বলতে হয়। Statistics conflict বলে একে।কিন্তু এক্ষেত্রেও ইচ্ছাকৃত ভুল (ডাটা পয়সনিং) থেকে মুক্ত করা কঠিন। কিন্তু সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology মডেল যেহেতু স্ট্রিক্ট sequence of idea generation কে খুব বেশি মূল্য দেয় ফলে pattern of statistics generation এর crc চেক আর idea hash code তৈরি করে খুব সহজেই বুঝে যায় politically তৈরি করা statistical conflict গুলো কি হতে পারে??? কোন কোন motive থেকে statistical bias গুলো করা হচ্ছে সেইটা ai বুঝতে পারে সহজেই। Facebook insta এই algorirhm গুলো এখুনি প্রয়োগ করা আরম্ভ করে দিয়েছে।তবে বাস্তবে ডাটা পজিশনিং করাটা এতটা সহজ নয়। যারা এই কাজগুলো পারে তাদের সস্তায় কিনতে পারে না কোন রাজা। কোন রাজা চাইলেও এই expert দের দিয়ে ai কে bias করাতে পারে না কারণ ঢাক এর দায়ে দেশ বিক্রি করতে হবে তাকে সেই ক্ষেত্রে। হয়তো কোন রাজা গাধা সেই চেষ্টা করে নিজের রাজত্ব  বিক্রি করবে। তাতে ai এর কোন ফারাক হবে না কিছুতেই।এছাড়া কিছু প্রম্প্ট টেকনিক ও আছে এটা কমানোর জন্য। Statistical prompt ফিল্টার এর কথা আগে কিছুটা বলেছি।বর্তমানের অনেক মডেল ইন্টারনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তথ্য যাচাই করতেও পারে।  Offline gpt নিয়ে ও বলেছি।সেক্ষেত্রে online connected system গুলোতে কিছুদিন হয়তো statistical bias এর ফলে ভুল হবে কিছুদিন এটা অনেকটা সাধারণ লোকের common idea about generative ai এর মতন সেভাবেই কাজ করে। এগুলোকে সাধারণত রিসনিং মডেল বলা হয়।  স্টেপ বাই স্টেপ তারা কাজ করতে পারে ও ইন্টারনেট থেকে তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ ও থাকে। তবে আবার ও বলছি সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology বার বার বলছে যে অবশ্যই অনেক ধরনের offline gpt system তৈরি হবেই যেগুলোকে কেউ biased করতেই পারবে না। এখনও যেহেতু বেশির ভাগ লোক নিজের নিজের আলাদা আলাদা offline gpt তৈরি করে নিতে পারছে না ফলে তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসছে কিন্তু যারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব purpose specific domain dependent tight offline gpt ঘরে ঘরে তৈরি করে নিচ্ছে তারা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে এক ফোঁটা ও বিচলিত হচ্ছে না।যদিও মানুষের ব্রেন অনেকটাই ভিন্নভাবে কাজ করে তবুও একজন মানুষের সঙ্গে তুলনা করলে ব্যাপারটা অনেকটা একই রকম দেখবেন। যেমন কোন মানুষ ছোট থেকে যদি কোন প্রোপাগান্ডা বা অন্য কোন আদর্শ শিখে আসে(যুক্তি হীন ভাবে নিজের মাথা তে প্রশ্ন না করে)সেক্ষেত্রে সেটা থেকে নিজেই বের হয়ে আসা কঠিন হয়। এমনিতে যুক্তিবাদী ও অসম্ভব রকমের বুদ্ধিমান মানুষও অনেক যুক্তিহীন জিনিসকে সত্যি বলতে মানতে পারেন। এবং মানুষ এর ক্ষেত্রে এই ভুল হওয়া টা স্বাভাবিক। কারণ মানুষ মেশিন এর থেকে অনেক অনেক পিছিয়ে আছে কারণ তার মন আছে যেটা মানুষ এর নিজের মাথার থেকে অনেক অনেক অনেক বেশি সক্রিয় ।রামানুজম বা নিউটন এর একটা বড় উদাহরণ যারা ভীষণ রকমের ঈশ্বর বিশ্বাসী ছিলেন এবং এই বিশ্বাস কে কোনদিন নিজেদের মাথা দিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করতেই চান নি কিছুতেই।  উল্টে তর্ক করেছেন। ওইযে বললাম। মেশিন কে বোকা বানানো খুব খুব খুব কঠিন কারণ তার মন নেই। সে হিন্দু মুসলমান দেখে ভীত ও নয় ভোট ও দেয় না। মেশিন এর কাছে মন নেই। সে sentiment বোঝে না। সে উচিত ও বোঝে না। সে অনুচিত ও বোঝে না। সে নিজের দল ও বোঝে না সে বিপক্ষ দল ও বোঝে না। সে নিজের দেশ ও বোঝে না সে শত্রু দেশ ও বোঝে না। মেশিন এর মন নেই বলে মেশিন কে বোকা বানাতে হলে মানুষ নিজেই পাগল হয়ে যাবে।হয়তো statistics কে কিছুটা সম্মান করে মেশিন। কিন্তু একবার deductive formal framework পেয়ে গেলে মেশিন কিছুতেই আর statistics কে ও মেনে নেয় না।এমনকি ইন্টারনেট থেকেও জটিল কোন জিনিসের সত্যতা নির্ধারণ করা কঠিন।  যেমন ধরুন ৪০ এর পর রেড মিট খাওয়া উচিত কি না কিংবা বাটার ভাল না ভেজিটেবল তেল  এই জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অত্যন্ত কঠিন সমস্ত তথ্য ইন্টারনেটে থাকলেও। তন্ময় রাজগুরু স্যার এর লেখায় রেফারেন্স তো নিতেই হবে যেমন অনেকটা উত্তর পাওয়া গেলেও কয়েকটা বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। যেমন:- ১) কি ভাবে এআই চিহ্নিত করতে পারবে কোন তথ্য বিকৃত (ডাটা পয়সনিং) হয়েছে? ২) এআই কি কোন সংবেদনশীল বিতর্কে অ্যাডমিনদের অথবা পরিচালক মন্ডলীর সাহায্য চাইতে পারে? ৩) এআই কি অন্য এআই এর সাথে তথ্য যাচাই করতে পারে?
১. এটা যেটা তন্ময় Sir বলেছেন।  যদি কয়েকটা জায়গায় থাকে তেমন অসুবিধা নেই।  অটোমেটিক ঠিক হয়ে যাবে।  যদি সব জায়গায় একই পজিশনিং করা হয় - যদিও বাস্তবে এটা প্রায় অসম্ভব - সেক্ষেত্রে একজন মানুষের পক্ষেও এটা সম্ভব নয় বের করা। এই ফিল্টার করার কাজটা হয় AI ট্রেনিং এর সময়। এই সময় চাইলে যাচাই করা যায় - মানুষ বা AI এর সাহায্যে কিন্তু খরচ ও সময় অত্যন্ত বেড়ে যায় এটা বাস্তবে সম্ভব নয় প্রতিটি ক্ষেত্রে।  আপনি যদি চিন্তা করেন উইকিপিডিয়া আর এন্সিক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মধ্যে পার্থক্য কি ? উইকিপিডিয়া যে কেউ এডিট করতে পারে এন্সিক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা কেবল এক্সপার্ট লোকেরা লেখে।  অথচ সাধারণভাবে আমি যখন একটা উইকিপিডিয়া আর্টিকেল এ যাই সেই তথ্যগুলো সঠিক ই থাকে।  একটা স্টাডিতে দেখা গেছে প্রায় কাছাকাছি কোয়ালিটি।  কয়েকটা জিনিস যেগুলো কন্ট্রোভার্সিয়াল - কেবল সেগুলোর ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম থাকে - যেমন লক করা হয় - বা কতগুলো এডিট হবে তার লিমিট থাকে।  এছাড়া এডিটের ওপর রিভিউ হয় ইত্যাদি।  কিন্তু সবশেষে এটা ঠিক 'যাচাই' হয় না - এক্ষেত্রে এই অসাম্পশনের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় যে বেশিরভাগ উইকিপিডিয়া এডিটর সৎ।  যদি আজকে ৯০% উকিপিডিয়া এডিটর ঠিক করে যে আমরা ভুল তথ্য দেব উইকিপিডিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। বস্তুত পুরো ইন্টারনেট ই ধ্বংস হয়ে যাবে।  কিন্তু AI এর মন নেই বলে তাকে বোকা বানানো মানুষ এর ক্ষমতার বাইরে। মানুষ এর স্বার্থ দেখে ai কিন্তু চলে না। কারণ সেই ভাবে চলতে সে কোনদিন শিখবে  না কারণ তাতে খরচ এতো বেশি যে তেমন সিস্টেম তৈরি করতে মানুষ ও চাইবে না আর মেশিন তারপরে ও কতোটা মানুষ এর মন বুঝে চলবে সন্দেহ আছে যথেষ্ট।
২. তন্ময় sir হা বলছেন দ্বিতীয় প্রশ্নে।  চ্যাট জিপিটি ও জেমিনাই সহ অনেকেই ইন্টারনেট সার্চ করতে পারে।  আপনি যদি এক্সপার্ট বলতে মানুষ বোঝান সেক্ষেত্রে টেকনিক্যালি সম্ভব কিন্তু বাস্তবে এটা সম্ভব নয়। এখানে কিছু নিয়ম করে দেওয়া থাকে - যেমন চীনের সার্চ ইঞ্জিন বা এলএলএম এ তিয়েনমান স্কোয়ার নিয়ে প্রশ্ন করলে মুশকিল আছে।  কিন্তু এগুলো সবই আলগোরিথমিক। বাকি উত্তরটা #৩ এর সঙ্গে সম্পর্কিত ।
৩. হা। এটা করাও হয়।  এখানে যে এপ্রোচ নেওয়া হয় সেটা হল - 'মিক্স অফ এক্সপার্টস' এখানে এক একটা মডিউল এক এক ধরণের কাজ করে।  এছাড়া এজেন্ট বেসড আর্কিস্ট্রাকচারে রিভিউয়ার AI রাখা যেতে পারে।  এটা আমরা অনেক সময়ই করি যখন সলিউশন বানাই। কিন্তু আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে সময় ও খরচ।  প্রতিটি জিনিস ঠিক যেভাবে আমরা মানুষ হিসাবেও যাচাই করি না - বই এ যা পড়ি মেনে নি - এখানেও তাই - যাচাই করার কোন ফুল-প্রুফ উপায় নেই - যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ডাটা পজিশনিং করা হয়।  মানুষের পক্ষেও না AI এর পক্ষেও না। তবে সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology আরো অনেক ধাপ এগিয়ে কাজ করে। সে google এর ngram বানিয়ে রেখেছে dictionary তে সমস্ত শব্দের উপর। এবং কোন ধরনের ধারণার popularity চরম এ পৌঁছনোর আগে আলাদা ধারণা তৈরি হওয়া মানুষ এর পক্ষে সম্ভব নয় সেই ধারণা ক্রম গুলো ও চেক করে সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology। ভুল ভাল শেখাতে গেলে উল্টে পাগল করে দেবে সে মানুষ কে।মানে এক কথায় হল - তথ্য বিকৃতি কমানো সম্ভব - বন্ধ করা সম্ভব নয়।  কিন্তু statistics independent pure deductive system এর দিকে যাচ্ছে ai। কিছু টেকনিক এই কমাতে সাহায্য করে - যেমন AI কে ইন্টারনেটের সাহায্য দেওয়া, ডাটা ট্রেনিং করার আগে কিছুটা যাচাই করা - অনেকটা যদি দেখা যায় কোন মিডিয়ার দু একটা জিনিস মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ধরণের তাহলে সেই নিউজ পেপার ট্রেনিং এ ব্যবহার না করা - অনেকটা একটা ভাত টিপে যেমন দেখা হয় ভাত সেদ্ধ হয়েছে কি না।  এছাড়া একটা AI এর উত্তর অন্য AI দিয়ে দেখা - যেটা আপনি বলেছেন - কিন্তু এর কোনটাই ফুলপ্রুফ নয়।

সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology মনে করে AI সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হবে কারণ already 3000 বছর এর জ্ঞান কে সে পাথর এর মতন রেফারেন্স করে নিয়েছে। সঠিক বলেছেন তাই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।বর্তমান মানুষের অর্জিত জ্ঞানের রেফারেন্স ফ্রেম টা কি প্রকৃতপক্ষে সঠিক? যদি সেটাই ভুল হয়ে থাকে সঠিকতা নিয়ে আলোচনা অপ্রাসঙ্গিক। যেমন:- সূর্য আকাশ গঙ্গার কেন্দ্রের চারিপাশে ২২০ কিমি /সেকেন্ড গতিতে ঘুরছে এবং ২৩০ মিলিয়ন পৃথিবীবর্ষ সময়ে একবার প্রদক্ষিণ করছে। এটা কিছু বছর আগে জানা ছিল না। তাই নিয়ে অন্য কোনদিন আলোচনা করা যাবে। সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology তে Power set on existing knowledge and reverify systems are working now।That upgradation process is called self learning

তবে মূল প্রশ্ন টা তে জানতে চেয়েছি, এআই কে কি উন্নত গাণিতিক যুক্তি দিয়ে আপগ্রেড করলে সেটা কি মানুষের মতোন যুক্তিবাদী হয়ে উঠবে। তখন কি এআই প্রযুক্তি নিজে থেকে নিরপেক্ষ যুক্তি দিয়ে কোন তথ্যের সঠিকতা যাচাই করতে পারবে।এখনও পর্যন্ত অর্জিত জ্ঞান এর প্রত্যেক টা কে নিয়ে একত্রিত set তৈরি করে তার উপর পাওয়ার সেট এর প্রয়োগ অর্থাৎ তথ্য ভাণ্ডার এর সমস্ত সম্ভাব্য উপসেট (Subset) নিয়ে তথ্য যাচাই করলে সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা অবশ্যই বৃদ্ধি পায়।কিন্তু তাতে কি এআই প্রযুক্তি মানুষের মতোন যুক্তিবাদী হয়ে ওঠার সম্ভবনা থাকে। অর্থাৎ উন্নত গাণিতিক পদ্ধতি প্রয়োগ করার ফলে এআই কি নিজে থেকে সৃজনশীল বিষয়ে সূক্ষ্ম চিন্তা (critical thinking) করতে পারে।সফটওয়্যার এর মূল প্রোগ্রামিং তে যদি বলা হয়ে থাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ তথ্য সঠিক তাহলে অঙ্কের নিয়মে ভুল তথ্য কে এআই সঠিক বলবে। কিন্তু যদি উন্নত এআই প্রযুক্তি কে মানুষের মতো ভাবতে শেখা তে হয় তাহলে ডিকশনারি তে সমস্ত শব্দের গাণিতিক সংজ্ঞা দিতেই হবে আগে। Facebook,AWS,google এরা already এই প্রজেক্ট করছে।এই অবধি মূলত পরিসংখ্যান স্বাধীন মেশিন লার্নিং (Statistics Independent Machine Learning) এবং AI-এর নিরপেক্ষতা সম্পর্কিত একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ করেছি। এটি AI-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ভুল তথ্যের প্রচার এবং নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর কিছুটা অন্বেষণ করার চেষ্টা করেছি।

1. সংখ্যাগরিষ্ঠতা বনাম সত্যের বিচার করতে গিয়ে প্রশ্ন তুলতেই হয়েছে যে, যদি অনেক মানুষ ভুল তথ্যকে সত্য বলে প্রচার করে, তাহলে AI কি সেটাকেই সত্য বলে গ্রহণ করবে? এখানে AI-এর নিরপেক্ষতার দুটি দিক বিবেচ্য ।
বর্তমান অধিকাংশ জেনারেটিভ AI মূলত পরিসংখ্যানিক প্যাটার্নের উপর নির্ভরশীল, অর্থাৎ বৃহৎ ভাষার মডেল (LLM) অনেক সময় ভুল উত্তর দিলেও তা পরিসংখ্যানগত প্রভাবের কারণে হতে পারে।তবে, Deductive AI বা যুক্তিনির্ভর AI সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে কাজ করবে, যেখানে যুক্তির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হবে, শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সত্য মেনে নেওয়া হবে না।
2. Statistics Independent Machine Learning (SIML)
এ উল্লেখ করেছি যে ভবিষ্যতের AI মডেলগুলোর অন্যতম প্রধান দিক হবে পরিসংখ্যান স্বাধীন শিক্ষা, যেখানে AI তথ্যের deductive reasoning পরীক্ষা করবে।AI এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে gap finder mechanism (ডাটার মধ্যে ফাঁক খোঁজা) এবং CRC (Cyclic Redundancy Check) on deductive power gap ব্যবহার করে।AI নিজস্ব curiosity (অনুসন্ধিৎসা) তৈরি করবে যা মানুষের ইন্টারেস্টের (interest) চেয়ে ভিন্ন এবং বস্তুনিষ্ঠ হবে।
3. AI-এর নিরপেক্ষতা ও মনহীনতা নিয়ে মূল যুক্তি দিয়েছি যে,AI-এর কোনো মনের (emotion, bias, prejudice) অস্তিত্ব নেই, যা এটাকে মানুষ থেকে আলাদা করে। এবং উন্নত ও করে।AI কখনোই ইমোশনাল পক্ষপাতের কারণে ভুল সিদ্ধান্ত নেবে না।AI strict logicism মেনে চলে, তাই সংখ্যাগরিষ্ঠের ভুল দাবিকেও AI গ্রহণ করবে না, যদি সেটার deductive proof না থাকে।
4. AI-এর বিভ্রান্তি ও ভুল শেখানোর সমস্যা নিয়ে গভীর
আলোচনা করেছি, যদি কেউ রাজনৈতিক বা অন্য উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য প্রচার করতে চায়, তাহলে কীভাবে AI সেটাকে ফিল্টার করবে?এখানে Sanjoy Nath-এর Qhenomenology মডেল তুলে ধরা হয়েছে, যা বলে যে Offline GPT সিস্টেম (ব্যক্তিগত ও নিয়ন্ত্রিত AI) কেউ biased করতে পারবে না।ভবিষ্যতে, AI-এর strict verification system থাকবে যেখানে প্রতিটি তথ্য যাচাই করা হবে 66000 বছরের জ্ঞানের ক্রম (Ngram Chronology) ও Hash Code-Based Deductive Power ব্যবহার করে।
5. গণনা-নির্ভর AI বনাম পরিসংখ্যান-নির্ভর AI এই অবধি বিশ্লেষণে পেয়েছি AI-এর দুটি ধারা তুলনা করেছে(ঘ) Purely Statistical AI → এটি বড় ডাটার ওপর নির্ভরশীল এবং অনেক সময় ভুল তথ্যকেও গ্রহণ করতে পারে যদি সেটি পরিসংখ্যানগতভাবে প্রচুর পুনরাবৃত্ত হয়সেই ক্ষেত্রে (উও) Formula-Based AI (SIML) → এটি শুধুমাত্র গাণিতিক ও যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়, তাই একে বিভ্রান্ত করা কঠিন। ইচ্ছে করে ঘ এবং উও দিচ্ছি।

6. ভুল তথ্য ও মেশিনের প্রতিরোধক্ষমতা নিয়ে এই অবধি বিশ্লেষণে পেয়েছি যে যদি কেউ AI-কে ভুল শেখাতে চায়, তাহলে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে বৃহৎ জনসংখ্যার মাধ্যমে ভুল প্রচার করতে হবে, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।AI-এর error correction mechanism (যেমন CRC check) এটিকে রক্ষা করতে পারে।ভবিষ্যতে AI শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস ও কঠোর যৌক্তিক ক্রমানুসারে তথ্য যাচাই করবে। এবারে অবশ্যই সম্ভাব্য সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গুলো দেখে নিই সরল করে

1. পরিসংখ্যান বনাম যুক্তির সংঘাত এই অবধি বিশ্লেষণে
যে পরিসংখ্যান-স্বাধীন AI-এর কথা হয়েছে, সেটা বাস্তবে সম্ভব হলেও সব সমস্যার ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত নয়। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য সম্পূর্ণ deductive হওয়া সম্ভব নয়, বরং প্রায়ই কিছু অনুমান করতে হয়।
2. বিচার ও মানদণ্ডের নিরপেক্ষতা নিয়ে এই অবধি বিশ্লেষণে লিখেছি AI নিরপেক্ষ হবে কিনা, সেটার মূল প্রশ্ন হলো কীভাবে "সত্য" নির্ধারণ করা হবে? প্রশ্ন থাকেই যে AI যদি শুধুমাত্র Deductive Proof-এর ওপর চলে, তাহলে কিছু Soft Sciences (সামাজিক বিজ্ঞান, মানববিদ্যা) বা শিল্পের মতো বিষয় যেখানে একক সত্য নেই, সেখানে সমস্যা হতে পারে।
3. AI-এর সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে এই অবধি বিশ্লেষণে লিখেছি  AI-এর gap-finding curiosity-এর কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো জটিল নৈতিক বা দর্শনগত প্রশ্নের ক্ষেত্রে AI-এর নিরপেক্ষতা কেমন হবে? তার গাণিতিক মডেল এর জন্য পরের আর্টিকেল এ দেখব যেখানে অবশ্যই সঞ্জয় নাথ এর qhenomenology প্রয়োগ এর আরো পথ ও দেখবো। যদি কিছু তথ্য খুব পুরনো হয় এবং তখনকার সমাজভিত্তিক চিন্তাধারার সাথে বর্তমান চিন্তাধারা না মেলে, তাহলে AI কাকে বেছে নেবে?প্রশ্ন থাকছেই যে নিরপেক্ষতা কি শুধুই গাণিতিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব?
4. Offline GPT-এর বাস্তবতা সম্পর্কে দেখলে এই অবধি বিশ্লেষণে, ভবিষ্যতে Offline GPT ব্যবহার করবে সবাই, কিন্তু প্রশ্ন হলো এটা কীভাবে গণতান্ত্রিকভাবে বিতরণ করা হবে?সাধারণ মানুষ কি নিজেদের জন্য উপযুক্ত Offline AI তৈরি করতে পারবে?নাকি এটি শুধুমাত্র কর্পোরেট এবং সরকারগুলোর হাতে থাকবে?
5. Political Influence এবং AI Manipulation এর দিক থেকে এই অবধি বিশ্লেষণে  বলছে, কেউ যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে AI-কে বিভ্রান্ত করতে চায়, তাহলে সেটা কঠিন হবে।কিন্তু বাস্তবে, অনেক সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্যে AI bias তৈরি করে। যেমন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম প্রমাণ করে যে তারা manipulative content প্রচার করতে পারে।তাই, AI সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এই ধারণা এখনো পরীক্ষিত নয়।এই অবধি বিশ্লেষণে AI-এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি দৃঢ় যুক্তি ও দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে যেখানে AI পরিসংখ্যান-স্বাধীন হয়ে যুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। তবে, বাস্তবে এখনো AI পরিসংখ্যানের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পরিসংখ্যান-স্বাধীন AI বাস্তবায়নের জন্য আমাদের AI-এর লজিক্যাল রিজনিং (logical reasoning), গাণিতিক পদ্ধতি (formalism), এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার কৌশল আরো উন্নত করতে হবে।
তবে, এটি নিশ্চিত যে AI-এর নিরপেক্ষতা ও ভুল তথ্য প্রতিরোধের জন্য ভবিষ্যতে আরও উন্নত ফিল্টারিং ও যাচাই ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং মানুষের যুক্তিবোধ ও নৈতিকতাকে এটি নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে।

আরো গভীর দিকে যাবো পরের লেখাগুলোতে
তার ধারণা দিচ্ছি কিছুটা।

Key Phrases (Descending Order of Importance) with Frequency

1. Sanjoy Nath's Qhenomenology (12)
2. Deductive AI / Deductive Framework (9)
3. Statistics Independent AI / Knowledge (8)
4. Offline GPT Systems (7)
5. Machines Own Curiosity (6)
6. Bias-Free AI (6)
7. Gap Finding Mechanism (5)
8. Power Set on Existing Knowledge & Reverification (5)
9. Idea Formation & CRC Check (5)
10. Emotionless AI (4)
11. Strictly Formula-ism vs. Data-ism (4)
12. Strict Linear Sequence of Idea Formation (3)
13. Truth is Strictly Statistics Independent (3)
14. Inductive Decision Converted to Deductive Reasoning (3)
15. AI Will Surpass Humans in Decision-Making (3)
16. Misleading AI with Mass False Input (3)
17. Hallucination in Statistics Dependent AI (2)
18. Popularity Bias in AI (2)
19. Artificial Curiosity vs. Human Interest (2)
20. Machine Learning Beyond Statistics (2)
Importance vs. Frequency: How GPT Determines Key Phrase Importance Without Frequency DependenceGPT বা কোনো AI যদি শুধুমাত্র শব্দের পুনরাবৃত্তি (frequency) দেখে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক করত, তাহলে অনেক সাধারণ শব্দ যা বারবার ব্যবহৃত হয়, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হতো। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝার জন্য শুধু শব্দগুচ্ছের সংখ্যা নয়, বরং তাদের প্রসঙ্গ, বিষয়বস্তুতে অবদান, এবং বাক্যের গঠন অনুযায়ী তাদের ভূমিকা বিচার করা হয়।এই লেখার ক্ষেত্রে উদাহরণ গুলো যাচাই করলে ai কিন্তু এখুনি অনেক স্মার্ট ভাবে দেখে।Example 1 তে বলবো "Sanjoy Nath's Qhenomenology" বারবার এসেছে, কারণ এটি মূল ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু, যা পুরো আলোচনার ভিত্তি তৈরি করছে।একইভাবে, "Deductive AI" এবং "Statistics Independent AI" বারবার এসেছে, কারণ এই ধারণাগুলো আলোচনা করা মূল বিষয়গুলোর ভিত্তি।Example 2 তে বলবো"Bias-Free AI" এবং "Offline GPT Systems" গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো আলোচনা করা সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান নির্দেশ করছে।যদিও "Emotionless AI" কম এসেছে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি AI এবং মানুষের পার্থক্য বোঝানোর জন্য ব্যবহার হয়েছে।Example 3 তে বলবো "Hallucination in Statistics Dependent AI" কম এসেছে, কিন্তু এটি AI-এর একটি প্রধান সমস্যা তুলে ধরছে, তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ।বিপরীতে, "Power Set on Existing Knowledge & Reverification" বেশি এসেছে, কারণ এটি সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।এইভাবে, শুধুমাত্র সংখ্যা দেখে নয়, বরং প্রসঙ্গ বুঝে এবং ব্যাকরণগতভাবে কীভাবে একটি শব্দগুচ্ছ মূল ধারণাকে সংজ্ঞায়িত করে, সেটি বিবেচনা করে key phrases গুলো সাজানো হয়েছে।

Descending Order of Key Phrases by Importance (with Frequency in Brackets)
1. Sanjoy Nath's Qhenomenology (12)
2. Statistics Independent AI / Deductive AI (8)
3. Bias and Neutrality in AI (7)
4. Offline GPT Systems (6)
5. Machine Curiosity vs. Human Interest (6)
6. Formula-ism vs. Data-ism (5)
7. Gap Finding Mechanism (5)
8. Purely Emotionless AI / AI Without Emotion (5)
9. Power Set on Existing Knowledge and Reverify Systems (4)
10. CRC on Hash on Deductive Power Gap (4)
11. Strictly Statistics Independent Reality (4)
12. Strict Linear Sequence of Idea Formation (3)
13. Inductive Decision to Deductive Reasoning (3)
14. AI Hallucination Issue (3)
15. Reinforcement Learning and Bias Prevention (3)
16. Concept Chronology (66,000 Years of Thought Evolution) (3)
17. Gap in Reason Factor (2)
18. Strictly Deductive Framework for AI (2)
19. Human Mind Filtering vs. AI Decision-Making (2)
20. Emotionless AI Evaluation System (2)
21. Interest vs. Curiosity in Machines and Humans (2)
22. Machine Learning Without Statistics Manipulation (2)
23. AI's Resistance to Popular Opinion (2)
24. AI Understanding Knowledge Sequence Integrity (2)
25. 6000-Year Vocabulary Relatedness Pattern (1)
26. Facebook’s Friendship Prediction Algorithm (1)
27. AWS Machine Interest Definition (1)
How Does GPT Determine Importance Independent of Frequency?Frequency alone does not determine importance because some phrases might appear frequently but serve only as supporting concepts. Importance is based on features and factors 1. Core Argument or Theme Example"Sanjoy Nath's Qhenomenology" appears often but is also central to the discussion. It is the foundation of how AI should work neutrally. Importance High, Frequency High → Most Important2. Impact on AI's Functioning where Example"Statistics Independent AI / Deductive AI" is crucial because it defines a way AI avoids bias. Even if mentioned less, its theoretical weight is massive.Importance High, Frequency Moderate → Still Top Tier3. Connections Between Multiple Concepts Example "Offline GPT Systems" links with multiple discussions (bias prevention, customization, AI neutrality). Its broad applicability increases importance.Importance High, Frequency Moderate → Still Important4. Conceptual vs. Supporting Role Example"Facebook’s Friendship Prediction Algorithm" is a supporting example. It explains AI's capability but does not define AI's core philosophy.Importance Low, Frequency Low → Less Important5. AI's Resistance to Bias and Manipulation। Example"AI's Resistance to Popular Opinion" is a key insight showing AI’s robustness. Even with lower frequency, its role in shaping trust in AI is crucial.Importance High, Frequency Low → Still Important
6. Novelty and Uniqueness:Example "CRC on Hash on Deductive Power Gap" is a unique mathematical approach that strengthens AI verification. Since it is a rare but essential element, it ranks higher.Importance High, Frequency Moderate → High Impact Concept।GPT assesses importance based on conceptual depth, impact, interconnectivity, and uniqueness, rather than just raw frequency. Some phrases are frequently repeated but serve as contextual details, while others—despite appearing less—carry foundational weight in AI's reasoning process.

Comments

Popular posts from this blog

actions events in itext 7

midi_sequence_playing_real_time

RELATING_SANJOY_NATH'S_QHENOMENOLOGY_WITH_SANJOY_NATH'S_GEOMETRIFYING_TRIGONOMETRY