বস্তু সংযোগ একটা অলীক স্বপ্ন 1960 এর পর

বস্তু সংযোগ 
1960 এর পর 
ঐটা একটা বোকা বোকা অলীক স্বপ্ন 


বস্তু সংযোগ থেকে সরে গিয়ে স্বপ্ন সংযোগ এর পৃথিবী গঠন এর কারণ এবং যুক্তি গুলোকে বুঝতে হবে গভীর ভাবে । আমরা বুঝতে চাইছি কোনভাবে কি পৃথিবী আর বস্তু সংযোগ এর ভিত্তিতে দাঁড়াতে পারবে???????????????
______________________________________________

এই বিশ্লেষণ প্রশ্নের মূলত দুটি দিক আছে একটি ঐতিহাসিক এবং একটি দার্শনিক।
১. ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বুঝি যে।"মার্ক্সের সমস্ত স্বপ্নের পথ গোড়া থেকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে 1960 থেকেই।" এটি বোঝাতে পারে যে 1960-এর দশক থেকেই মার্ক্সবাদী আদর্শের বাস্তবায়ন এর সমস্ত স্বপ্নের পথ সম্পূর্ণ ভিত্তি হীন করে দেওয়ার পরিকল্পনা কে পাকা পাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এমন স্বপ্ন দেখার সমস্ত পথ কে ইচ্ছে করে ground level এ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ফলে সমস্ত প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বা ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, 1960-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থবিরতা, চীন-সোভিয়েত মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব, এবং পশ্চিমা দেশে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের উত্থান মার্ক্সবাদী বিপ্লবের স্বপ্নকে দুর্বল করে তোলে।এরপর সোভিয়েত ব্লকের পতন (1989-1991) প্রমাণ করে যে ঐতিহ্যবাহী মার্ক্সবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা (যেমন—সোভিয়েত ইউনিয়ন বা মাওবাদী চীন) দীর্ঘমেয়াদে টিকতে পারেনি। তবে মার্ক্সবাদী বিশ্লেষণ এখনো সামাজিক রাজনৈতিক গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়ে গেছে।
২. দার্শনিক প্রশ্ন হিসেবে দেখলে বুঝতে পারি যে বস্তু সংযোগ বনাম স্বপ্ন সংযোগ এর ভিত্তি টা অর্থনীতির মার্ক্স জাতীয় সমস্ত স্বপ্নের পথ এমন করে নষ্ট করেছে যে এখন আমরা no রিটার্ন জোন এ already প্রবেশ করেছি 1998 এ। "বস্তু সংযোগ থেকে সরে গিয়ে স্বপ্ন সংযোগের পৃথিবী গঠনের কারণ এবং যুক্তি গুলোকে বুঝতে হবে গভীরভাবে।" এটি অনেকটা হেগেলিয়ান ভাবনার সাথে সংযুক্ত যেখানে বাস্তবতার নির্ধারণ নির্ভর করে ধারণাগত কাঠামোর (conceptual framework) ওপর।
(ক) বস্তু সংযোগ কি অনিবার্য?
মার্ক্স নিজে বস্তুবাদী ছিলেন এবং ঐতিহাসিক বস্তুবাদ (historical materialism) তাঁর তত্ত্বের মূল ভিত্তি। তিনি বিশ্বাস করতেন যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং উৎপাদনের মাধ্যমই মানুষের সামাজিক কাঠামো ও চেতনা গঠন করে।
কিন্তু বর্তমান বিশ্বে কি শুদ্ধ বস্তুবাদ যথেষ্ট? যদি তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভার্চুয়াল জগত বা কল্পনাশক্তি (imagination) নতুন বাস্তবতা তৈরি করে, তাহলে কীভাবে বস্তু সংযোগের একচেটিয়া আধিপত্য থাকবে?
(খ) স্বপ্ন সংযোগ কি সম্ভব?
যদি "স্বপ্ন সংযোগ" বলতে বোঝানো হয় যে মানুষের চিন্তাভাবনা, কল্পনা, এবং যৌথ বিশ্বাস একটি নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে এটি সামাজিক নির্মাণবাদ (social constructivism) এর দিকে যায়।দেখুন অর্থ, রাষ্ট্র, আইন, এবং নৈতিকতা—সবকিছুই আমাদের কল্পনার ভিত্তিতে গঠিত। এই ধারণাগুলি কোনো বস্তুগত বাস্তবতা নয়, বরং মানবিক সম্মতির (collective agreement) ফলাফল।
৩. পৃথিবী কি আবার বস্তু সংযোগের ভিত্তিতে দাঁড়াতে পারবে?এটি নির্ভর করে আমরা কী বোঝাতে চাই "পৃথিবী দাঁড়ানো" দ্বারা। যদি বোঝায় স্থিতিশীলতা, তাহলে বস্তুগত উৎপাদন, সম্পদ বণ্টন এবং বাস্তব উপযোগিতা (pragmatism) সবসময় গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। তবে মানুষের বিশ্বাস, সামাজিক কাঠামো, এবং প্রযুক্তির কারণে বস্তু সংযোগের ধরন বদলে যেতে পারে।এই প্রশ্ন একটি গভীর দার্শনিক ও রাজনৈতিক আলোচনা উসকে দেয়। মার্ক্সীয় বস্তুবাদ এবং আধুনিক "স্বপ্ন সংযোগ" বা ধারণাগত বাস্তবতার (conceptual reality) মধ্যে দ্বন্দ্ব এখনো বর্তমান। ভবিষ্যতে বিশ্বব্যবস্থা কীভাবে বিকশিত হবে, তা নির্ভর করবে প্রযুক্তি, অর্থনীতি, এবং মানুষের বিশ্বাসের পরিবর্তনের ওপর।এখানে অনেকগুলো স্তরে বিশ্লেষণ করা দরকার, বিশেষ করে ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত সোভিয়েত অর্থনীতির "money basis evaluation strategy" এর ব্যর্থতা কিভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিকে নিয়ে গেল।
১. ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই সময় টা বুঝি কিছুটা।১৯৬০-১৯৮০ এর সোভিয়েত অর্থনৈতিক মডেলের সংকট
(ক) ১৯৬০-১৯৮০ সোভিয়েত পরিকল্পিত অর্থনীতির কাঠামোগত সমস্যা হচ্ছিল।১৯৬০-এর দশক থেকেই সোভিয়েত অর্থনীতিতে স্থবিরতার লক্ষণ দেখা যায়। যদিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি করেছিল, কিন্তু ১৯৬০-এর দশকের পর পরিকল্পিত অর্থনীতির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়তে থাকে।কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ব্যর্থতা (Central Planning Failure) এর দিক টা বুঝতে হবে।
১. গোসপ্লান (Gosplan) বা কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা সংস্থা ৫ বা ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা করলেও বাস্তব উৎপাদনের সাথে অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মিল ছিল না।
২. উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে গিয়ে পণ্যের গুণগত মান কমে যায়, ফলে শিল্পের প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবন থেমে যায়।
৩. বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহের অভাব ছিল, ফলে কৃত্রিম ঘাটতি দেখা দেয়।এই সময়ের Military Industrial Complex Dominance এর দিক থেকে দেখি তাহলে।
১. ১৯৬০-এর পর সোভিয়েত অর্থনীতির একটি বড় অংশ সামরিক খাতে ব্যয় হচ্ছিল, যা সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রার মান বাড়াতে ব্যর্থ হয়।
২. USA-এর সাথে ঠান্ডা যুদ্ধের প্রতিযোগিতার কারণে বিশাল সামরিক ব্যয় অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলে।

"Money Basis Evaluation Strategy" এর সীমাবদ্ধতা:
১. সোভিয়েত অর্থনীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাজার ভিত্তিক ছিল না। পণ্যের দাম বাজারে নির্ধারিত না হয়ে রাষ্ট্রের দ্বারা নির্ধারিত হতো, যা অর্থনীতিকে বিকৃত করেছিল।
২. মুদ্রার প্রকৃত মূল্যায়ন (evaluation of money basis) রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল থাকায় দেউলিয়াত্বের মতো সমস্যা তৈরি হয়েছিল।
৩. মূল্যায়ন কাঠামোতে (evaluation structure) রুবলের সত্যিকারের আন্তর্জাতিক বাজার মান ছিল না, কারণ এটি বাজারে লেনদেনযোগ্য ছিল না এবং সোভিয়েত ব্লকের বাইরে এর গ্রহণযোগ্যতা কম ছিল।


২. ১৯৭০-এর অর্থনৈতিক সংকট ও তেলের ওপর নির্ভরতা
তেল ও গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা:
১৯৭০-এর দশকে সোভিয়েত অর্থনীতি মূলত তেল ও গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকে তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় (Oil Price Collapse, 1986) সোভিয়েত অর্থনীতির মূল আয় বন্ধ হয়ে যায়।প্রযুক্তিগত পিছিয়ে পড়া আর নতুন স্বপ্ন তৈরি না হওয়া।
১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব যেখানে কম্পিউটার, তথ্যপ্রযুক্তি, ও সফটওয়্যারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, সোভিয়েত ইউনিয়ন সেই তুলনায় অনেক পিছিয়ে ছিল।
২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি উদ্ভাবন ও মুক্তবাজারের সুবিধা নিতে পারছিল, কিন্তু সোভিয়েত অর্থনীতি রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত থাকায় বাজারের সাথে খাপ খাওয়াতে পারছিল না।
৩. Money Basis Evaluation Strategy কিভাবে ব্যর্থ হলো?

১. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাপার ভুল পদ্ধতি তে শ্রম এর মূল্যই ভিত্তি হীন হয়ে গেছিল ্য।োভিয়েত অর্থনীতি উৎপাদিত সামগ্রীর পরিমাণের ওপর খন ভিত্তি করে প্রবৃদ্ধি হিসাব করত, কিন্তু এটি আসল চাহিদা ও বাস্তব অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রতিফলিত করত না।এক টন ইস্পাত উৎপাদন করলেই এটি অর্থনৈতিক উন্নতি হিসাবে ধরা হতো, যদিও এই ইস্পাত ব্যবহারের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা কম ছিল।
২. মূল্য নির্ধারণে ব্যর্থতা টা খুবই কঠিন হচ্ছিল।বাজার অর্থনীতির অনুপস্থিতিতে মুদ্রার প্রকৃত মূল্য (money basis) কৃত্রিমভাবে স্থির ছিল, যার ফলে বাস্তব অর্থনীতির সাথে মিলছিল না। অবস্তু মুদ্রার অবমূল্যায়ন (undervaluation) ও অতিমূল্যায়ন (overvaluation) ছিল প্রচলিত সমস্যা।
৩. বৈদেশিক ঋণের ফাঁদ টা খুবই জটিল।
১৯৭০-এর দশকে সোভিয়েত সরকার পশ্চিমা দেশগুলো থেকে প্রচুর ঋণ নেয়, কিন্তু ১৯৮০-এর অর্থনৈতিক সংকটের পর এই ঋণ পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে।১৯৮৬-এর পর পশ্চিমা ব্যাংকগুলো সোভিয়েত ঋণের ওপর সুদের হার বাড়িয়ে দেয়, যা সোভিয়েত অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে।
৪. ১৯৮০-এর দশক এর  ব্যর্থ সংস্কার ও পতনের সূচনা আরো বেশি করে বস্তু সংযোগ এর অর্থনীতি নষ্ট করে দেয়।
(ক) গর্বাচেভের সংস্কার এবং "No Return Zone"
১৯৮৫ সালে মিখাইল গর্বাচেভ ক্ষমতায় এসে পেরেস্ত্রোইকা (পুনর্গঠন) এবং গ্লাসনস্ত (স্বচ্ছতা) নামে দুটি বড় সংস্কার কর্মসূচি চালু করেন। কিন্তু এই সংস্কারগুলো দেরিতে আসায় এবং ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সোভিয়েত অর্থনীতি ধসে পড়ে।
পেরেস্ত্রোইকা র পরিকল্পিত অর্থনীতি শিথিল করে কিছু বাজারনীতি চালু করা হলেও, তাতে কাঠামোগত সমস্যা দূর হয়নি।গ্লাসনস্ত এর রাজনৈতিক উন্মুক্ততা বাড়ানোর ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তীব্র হয় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সংহতি নষ্ট হয়।১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোও ধসে পড়ে এবং মার্ক্সীয় অর্থনৈতিক মডেল কার্যত বিলুপ্ত হয়।
৫. দার্শনিক দৃষ্টিকোণ এ  বস্তু সংযোগ বনাম স্বপ্ন সংযোগ এর দিক টা দেখবো।এই প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশটি অর্থনীতির গভীর দর্শন নিয়ে। "বস্তু সংযোগ থেকে সরে গিয়ে স্বপ্ন সংযোগের পৃথিবী গঠনের কারণ এবং যুক্তি গুলোকে বুঝতে হবে গভীরভাবে।"এটি হেগেলিয়ান ও মার্ক্সীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে যখন জানি যে মার্ক্স বলেছিলেন যে বস্তুগত সম্পর্ক (Material Conditions) মানুষের চেতনাকে নির্ধারণ করে।কিন্তু যদি প্রযুক্তি, তথ্য, ও কল্পনাশক্তি মানুষের বস্তুগত বাস্তবতার বাইরেও নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে (যেমন ডিজিটাল অর্থনীতি, AI, ভার্চুয়াল জগৎ), তাহলে মার্ক্সীয় বস্তুবাদের প্রাসঙ্গিকতা কীভাবে টিকবে?আমরা এখন "No Return Zone"-এ চলে গেছি এবং তাহলে প্রশ্ন হয়, বর্তমান বিশ্বে কীভাবে অর্থনীতি, রাজনীতি, এবং মানুষের চেতনা পুনর্গঠিত হবে? এটি একটি নতুন ধরনের অর্থনৈতিক ও দার্শনিক প্রশ্ন যার উত্তর এখনো অস্পষ্ট।
বস্তু ভিত্তিক অর্থনীতি (k = 100%) আর কখনোই সম্ভব হবে না, কারণ এটি বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে একেবারে কল্পনা ভিত্তিক অর্থনীতি (k = 0%) ও টিকে থাকতে পারবে না। মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা, এবং বাস্তব সম্পদের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
এখনকার অর্থনীতি মূলত "ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি" দিয়ে চলে, কিন্তু এই প্রতিশ্রুতির ভিত দুর্বল হলে সংকট দেখা দেবে। ফলে আমাদের প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল, ভবিষ্যৎমুখী, এবং বাস্তব সম্পদ সংযুক্ত অর্থনীতি যা স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।এইটা মূলত আধুনিক অর্থনীতির গভীরতম স্তরের একদম ভিত্তিগত প্রশ্নগুলোর সাথে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে, "No Return to Material Connection" ধারণাটির মাধ্যমে তুমি বোঝাতে চাইছো যে ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি বাস্তব সম্পদ (Material Economy) থেকে ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা এবং বিশ্বাস-ভিত্তিক অর্থনীতিতে (Expectation-Driven Economy) পরিবর্তিত হয়েছে।
1960 থেকে 1980: কোন মানসিকতার লোকের সুবিধা হলো?এই সময়কালটা মূলত দুটি বড় ধরণের অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তন দেখিয়েছে

1. ফিয়াট মুদ্রার চূড়ান্ত রূপান্তর (1971 - Nixon Shock)
১৯৭১ সালে নিক্সন শক এর মাধ্যমে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড শেষ হয়ে যায়, ফলে মুদ্রা আর কোনো বাস্তব সম্পদের সাথে সংযুক্ত থাকে না।এর মানে দাঁড়ায়, কেবল মানুষের "আস্থা" এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুদ্রা চলে যাবে।
2. Keynesian vs. Neoliberal অর্থনীতির লড়াই
১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত Keynesian অর্থনীতি প্রভাবশালী ছিল, যেখানে সরকার সরাসরি বাজারে হস্তক্ষেপ করতো।
কিন্তু ১৯৭০-এর পর Neoliberal অর্থনীতি শুরু হয়, যেখানে বাজারকে মুক্ত রাখা হয় এবং সরকার কম নিয়ন্ত্রণ করে।
কাদের সুবিধা হলো?
1. কর্পোরেট অর্থনীতির অগ্রগতি
বড় কর্পোরেশন এবং মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিরা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে।তারা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্টক মার্কেটে বিশাল মুনাফা অর্জন করেছে।শেয়ার মার্কেট এবং বিনিয়োগ অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে।
2. ব্যাংক এবং ফিনান্স সেক্টর
ব্যাংকগুলো ফ্র্যাকশনাল রিজার্ভ ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে প্রায় অসীম পরিমাণে ঋণ দিতে পারলো।মানুষ ও সরকার ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির আশায় অতিরিক্ত ঋণ নিতে শুরু করলো।
3. ইনফরমেশন ও প্রযুক্তি খাত
কাগজের মুদ্রা থেকে ডিজিটাল ট্রানজেকশনে ধীরে ধীরে শিফট শুরু হলো।ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, ক্রেডিট কার্ড এবং পরবর্তী সময়ে AI ও অ্যালগরিদম-চালিত ফিনান্স জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
পৃথিবী কি আবার বস্তু সংযোগ ভিত্তিক হতে পারবে?
এখনকার অর্থনৈতিক কাঠামো যদি বিশ্লেষণ করি, তাহলে বাস্তব সম্পদ-ভিত্তিক অর্থনীতিতে (k = 100%) ফিরে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। কারণ
1. মানুষের বিশ্বাস ভিত্তিক অর্থনীতি খুব গভীরে গেঁথে গেছে। আর ইচ্ছে করেই সমস্ত রকমের বস্তু ভিত্তিক মূল্যায়ন যে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে 1960 থেকে 1980 পর্যন্ত।
2. ব্যাংক এবং ফিনান্স সেক্টর বস্তু সংযোগ অর্থনীতিতে কাজ করতে পারবে না।
3. গ্লোবাল ট্রেড ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বে।
তবে k = 0% অর্থনীতিও টিকে থাকতে পারবে না। কারণ, একদমই বস্তু ভিত্তিহীন (Pure Dream Economy) হলে, সেটা Hyperinflation-এর দিকে নিয়ে যাবে।
তাহলে ভবিষ্যতে অর্থনীতি কোথায় যাবে?
বর্তমানে আমরা এমন এক অর্থনীতির দিকে যাচ্ছি, যেখানে AI এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম অর্থনৈতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করবে।
1. AI নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক সিস্টেম: ভবিষ্যতে হয়তো সরকার নয়, বরং অ্যালগরিদম এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা টাকার সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণ ঠিক করবে।
2. Hybrid Economy (Real + Digital + AI-Driven)
আমরা হয়তো এমন এক অবস্থায় যাবো, যেখানে অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে Virtual Asset + Real Asset + AI Decision Making দ্বারা পরিচালিত হবে।
AI নির্ধারণ করবে কোন সেক্টরে বিনিয়োগ করা উচিত, কোন সম্পদ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তাহলে AI এর আগমন কাদের ইচ্ছায়?
1. বড় কর্পোরেশনদের ইচ্ছা গুলোই রাজনীতি কে পরিচালনা করবেই।AI তৈরি করা হয়েছে অর্থনৈতিক লেনদেন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির নিশ্চিতকরণে।
2. রাজনৈতিক প্রয়োজন: এর স্বার্থে AI এখন নতুন প্রকারের অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। Schumpeter-এর থিওরি ঠিকই বলেছে যে এই অর্থনীতি আসলে "Creative Destruction" এর ওপর চলে। অর্থাৎ, পুরাতন পদ্ধতি ধ্বংস করে নতুন কিছু গড়ে তোলা হয়।পৃথিবী আর কখনোই বস্তু সংযুক্ত (Material-Connected) অর্থনীতিতে পুরোপুরি ফিরে যাবে না।তবে Pure Dream Economy (k = 0%) ও কাজ করবে না। ভবিষ্যত হবে AI, বাস্তব সম্পদ এবং ডিজিটাল সম্পদের সংমিশ্রণ।

১. বর্তমান অর্থনীতির বাস্তবতা: K = 0% বা প্রায় শূন্য।
 অর্থনীতির শুরুতে (বার্টার সিস্টেম) k = 100% ছিল, কারণ লেনদেন সরাসরি বাস্তব সম্পদের ভিত্তিতে হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে কাগজ মুদ্রার প্রচলন, গোল্ড স্ট্যান্ডার্ডের বিলুপ্তি, এবং ফিয়াট মুদ্রার প্রচলন k-কে 0% এর কাছাকাছি নিয়ে গেছে। বর্তমানে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মূলত "বিশ্বাস" ও "ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা" দ্বারা পরিচালিত হয়। অর্থাৎ, টাকার কোনো স্বতঃসিদ্ধ বাস্তব মূল্য নেই, বরং সমাজের সম্মিলিত আস্থা একে মূল্যবান করে রেখেছে।
২. বস্তু ভিত্তিক অর্থনীতির মূল সমস্যা গুলো বুঝতে হবে আগে। 

(ক) মুদ্রাসঙ্কোচন (Deflation) এর দিক এসে যাবে আগেই।
যদি k = 100% করতে হয়, তবে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ মুদ্রা তুলে নিতে হবে। এতে দ্রব্যমূল্য কমে যাবে, কিন্তু বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান ভয়ংকরভাবে সংকুচিত হবে। এই ধরণের পরিস্থিতি ইতিহাসে দেখা গেছে—১৯২৯ সালের মহামন্দা (Great Depression) ছিল এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

(খ) ব্যাংকিং ব্যবস্থার পতন হবেই।বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থা "ফ্র্যাকশনাল রিজার্ভ ব্যাংকিং" অনুসরণ করে, যেখানে ব্যাংক শুধুমাত্র একটি অংশ রিজার্ভ রাখে এবং বাকিটা ঋণ দেয়। k = 100% করতে গেলে ব্যাংক ঋণ দিতে পারবে না, ফলে অর্থনীতির প্রবাহ থেমে যাবে।

(গ) সরকারি বাজেটের সংকট হবেই।বর্তমান সরকারগুলো ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির ধারণার ওপর ভিত্তি করে অর্থ ব্যয় করে। যদি সব মুদ্রাকে বাস্তব সম্পদের সাথে সংযুক্ত করা হয়, তবে সরকারকে বিশাল বাজেট কাট করতে হবে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো খাতকে ধ্বংস করবে।

(ঘ) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জটিলতা অসম্ভব রকম বেড়ে যাবে।বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য বর্তমানে ফিয়াট মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল। যদি k = 100% করতে হয়, তবে লেনদেনের জন্য বাস্তব সম্পদ (যেমন, স্বর্ণ, জমি) ব্যবহার করতে হবে, যা অসম্ভব। এতে আন্তর্জাতিক লেনদেন জটিল হয়ে যাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।

(ঙ) কালো বাজারের উত্থান হবে খুব সেই ক্ষেত্রে।যদি সরকার সম্পূর্ণ বাস্তব সম্পদ সমর্থিত মুদ্রা চালু করতে চায়, তাহলে মানুষ বিকল্প পথ খুঁজবে, যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি, স্বর্ণ, কিংবা বার্টার লেনদেন। এতে সরকার অর্থনীতির উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবে।
৩. তাহলে কি k = 100% করা আদৌ সম্ভব?

সংক্ষেপে, না।
অর্থনীতি মূলত মানুষের আস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার উপর ভিত্তি করে চলে। অতীতে যখনই অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ বস্তু ভিত্তিক করার চেষ্টা করা হয়েছে, তা ব্যর্থ হয়েছে।
বর্তমান ফিয়াট মুদ্রার ব্যবস্থা নিখুঁত না হলেও, এটি অত্যন্ত নমনীয় এবং উন্নত। সরকার যদি কৌশলগতভাবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং নতুন প্রযুক্তির (যেমন AI, ব্লকচেইন) মাধ্যমে অর্থনীতির স্বচ্ছতা বাড়াতে পারে, তবে বর্তমান পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর।
৪. ভবিষ্যতে কী হবে?
 (ক) পুরোপুরি বস্তু ভিত্তিক অর্থনীতি হবে না, তবে হাইব্রিড হতে পারে।Schumpeter-এর থিওরি অনুযায়ী, অর্থনীতি সবসময় ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার উপর নির্ভর করে। কিন্তু সম্পূর্ণরূপে "স্বপ্ন সংযুক্ত অর্থনীতি" টিকিয়ে রাখা কঠিন। তাই ভবিষ্যতে হয়তো ফিয়াট মুদ্রা + ডিজিটাল সম্পদ + বাস্তব সম্পদের একটি সংমিশ্রণ হবে।
 (খ) AI ও স্বয়ংক্রিয় অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আসবে
AI ইতিমধ্যে অর্থনীতির বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকার ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলি ভবিষ্যতে AI ভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিমালা নির্ধারণ করবে, যাতে অর্থনৈতিক প্রবাহ স্থিতিশীল থাকে।
 (গ) মানুষের স্বপ্ন ও বাস্তবতার ভারসাম্য বজায় রাখা হবে।k কে জোরপূর্বক 100% বা 0% করা সম্ভব না, বরং এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ (Dynamic Equilibrium) হতে হবে। সরকারের কাজ হবে মানুষের "স্বপ্ন" এবং বাস্তব সম্পদের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা।
৫. কোন কোন cognitive bias এর কারণে k = 100% বা k = 0% হতে পারে?
মানুষের বিচার ক্ষমতা (Judgment) বিভিন্ন ধরনের Bias দ্বারা প্রভাবিত হয়। কিছু Bias অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে:

(ক) Loss Aversion Bias (ক্ষতির ভয়) → k = 100% তে যেতে পারে।মানুষ ক্ষতি এড়াতে চায়, তাই যদি একসময় সবাই মনে করে "টাকার কোন প্রকৃত মূল্য নেই", তাহলে সবাই বাস্তব সম্পদের দিকে দৌড়াবে।এতে k 100% এ পৌঁছে যাবে, যার ফলে অর্থনীতি চরম সংকটে পড়বে।
(খ) Overconfidence Bias (অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস) → k = 0% তে যেতে পারে।যদি মানুষ অর্থনীতির উপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির আশায় অগুনতি টাকা ছাপানো হয়, তবে k ধীরে ধীরে 0% এর দিকে নেমে যাবে।এতে বাজারে অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি হবে, এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে।
(গ) Bandwagon Effect (দলের সাথে চলা)
যদি মানুষ দেখে সবাই একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শে বিশ্বাস করে (যেমন, "ক্রিপ্টোই ভবিষ্যৎ"), তাহলে অনেকেই বিনা চিন্তায় সেই ধারায় যোগ দেয়।এতে বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস হতে পারে এবং নতুন অস্থিতিশীল মুদ্রা ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে।বস্তু ভিত্তিক অর্থনীতি (k = 100%) আর কখনোই সম্ভব হবে না, কারণ এটি বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে একেবারে কল্পনা ভিত্তিক অর্থনীতি (k = 0%) ও টিকে থাকতে পারবে না। মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা, এবং বাস্তব সম্পদের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
এখনকার অর্থনীতি মূলত "ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি" দিয়ে চলে, কিন্তু এই প্রতিশ্রুতির ভিত দুর্বল হলে সংকট দেখা দেবে। ফলে আমাদের প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল, ভবিষ্যৎমুখী, এবং বাস্তব সম্পদ সংযুক্ত অর্থনীতি—যা স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।প্রথম দিকে, অর্থনীতিতে k (যা বোঝায় মোট মুদ্রার মূল্যের কত শতাংশ বাস্তব সম্পদ দ্বারা সমর্থিত ছিল) সাধারণত 100% এর কাছাকাছি ছিল। এর কারণ টা ও বুঝতে হবে।প্রাথমিক অর্থনৈতিক যুগ এবং k এর মান কে বুঝতে হবে আগে।

1. বার্টার সিস্টেম (মুদ্রার আগে)তখন k = 100% ধরা যায়, কারণ প্রত্যেক লেনদেন সরাসরি পণ্য বা সেবার বিনিময়ে হতো।কোনো "অপ্রমাণযোগ্য প্রতিশ্রুতি" বা কাগজ টাকার অস্তিত্ব ছিল না, সব সম্পদই বাস্তব ছিল।
2. প্রথম ধাতব মুদ্রার প্রচলন (~600 BCE, লিডিয়া সভ্যতা) তখন সোনা, রূপা, তামার মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।মুদ্রার মান ধাতুর বাস্তব মূল্যের উপর নির্ভর করতো, তাই k ≈ 100% বলা যায়।এই সময় মুদ্রাস্ফীতি বা কাগজ টাকার সংকট ছিল না।
3. প্রথম কাগজ টাকা (চীনের টাং ও সাং রাজবংশ, 7ম-11শ শতক) তখন সরকার সম্পদের বিপরীতে কাগজ নোট ছাপানো শুরু করেছিল। তখন k ≈ 50%-80% এর মধ্যে ছিল, কারণ সম্পদের পরিমাণের চেয়ে কিছু বেশি নোট ছাপানো শুরু হয়।

4. গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড যুগ (~19শ শতক) টা বুঝুন।
প্রতিটি দেশের মুদ্রার মান সোনার সাথে সম্পর্কিত ছিল।
তখন k ≈ 40%-70% ছিল, কারণ পুরো মুদ্রা যোগানের বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবসময় পর্যাপ্ত স্বর্ণ রাখতে পারত না।মানুষ তাদের নোটগুলো ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে সোনার দাবি করতে পারত, কিন্তু সব নোট একসাথে রিডিম করতে চাইলে সেটা সম্ভব ছিল না।
5. ব্রেটন উডস ব্যবস্থা (1944-1971) 
মার্কিন ডলার স্বর্ণের সাথে সরাসরি লিঙ্কড ছিল, এবং অন্যান্য মুদ্রা ডলারের সাথে সংযুক্ত ছিল।এখানে k ≈ 25%-40% ছিল, কারণ মার্কিন সরকার ডলারের বিপরীতে স্বর্ণ রাখত, তবে সব ডলারের জন্য যথেষ্ট স্বর্ণ ছিল না।
6. ফিয়াট মুদ্রার যুগ (1971-বর্তমান) অবস্থার দিক টা দেখুন।1971 সালে নিক্সন শক এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বর্ণের সাথে ডলারের লিংক কেটে দেয়।এখন বিশ্বের অর্থনীতি পুরোপুরি "বিশ্বাস" এর ওপর চলে, বাস্তব সম্পদের সাথে কোনো সরাসরি সংযোগ নেই।বর্তমানে k ≈ 0%-5% এর মধ্যে, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকার বাস্তব সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি মুদ্রা তৈরি করে, যা সম্পূর্ণরূপে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মানুষের "স্বপ্ন" এর উপর নির্ভরশীল।k এর ঐতিহাসিক পরিবর্তন টা দেখে নিলে বুঝতে সুবিধে হবে।প্রথম দিকে k সবসময় 100% বা কাছাকাছি ছিল, কিন্তু মানুষের "ভবিষ্যৎ স্বপ্ন" এবং অর্থনৈতিক আস্থা যত বৃদ্ধি পেয়েছে, তত k কমে এসেছে। বর্তমানে k ≈ 0%, অর্থাৎ অর্থনীতি পুরোপুরি মানুষের বিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশার উপর নির্ভরশীল।
AI এসে গেছে। এই AI তৈরি করাটা IT কোম্পানি গুলোর ইচ্ছে তে হয়েছে নাকি রাজনীতির প্রয়োজনে হয়েছে? লর্ড keynes এর তত্ত্ব থেকে নতুন অর্থনীতির প্রয়োগ দেখতে পাই যেখানে পৃথিবীর টোটাল টাকার ফ্লো এর সাথে মানুষ এর স্বপ্ন দেখার সরাসরি সংযোগ আছে। Schumpeter এর লেখা গুলো পড়লে বুঝতে পারি যে এই পৃথিবীতে যত টাকা আছে ততো টাকার মূল্যের ভবিষ্যৎ এর সম্পর্কে স্বপ্ন গুলো যুক্ত আছে এবং প্রতিজ্ঞা বদ্ধ একটা অ___প্রমাণ___যোগ্য অঙ্গীকার লুকানো রয়েছে কিন্তু সত্যিই পৃথিবীর মোট টাকার সম মূল্যের কোন resource কারো কাছে নেই। অর্থ্যাৎ প্রত্যেকে একসাথে সমস্ত টাকা গুলোর সম মূল্যের physical resource (ধরুন জমি, সোনা ইত্যাদি)পেতে চাইলে কারো পক্ষে সেইটা দেওয়া সম্ভব নয়(অর্থাৎ সমস্ত টাকা তে লেখা promise গুলো ততক্ষণ পর্যন্ত valid যতক্ষণ একসাথে একই সময়ে 0%<k%<<<<<<100% টাকা গুলোর বিনিময়ে physical resource buy back করতে চাইবে না দুনিয়া) এই k% টা depend করে কতো কত ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন মানুষ একসাথে দেখছে তার উপর। (এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে) অর্থ্যাৎ যদি ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন কমে যায় মানুষ এর মধ্যে তাহলে k টা বেড়ে বেড়ে 100% এ পৌঁছে যাবে। আর যদি প্রত্যেক খুব বেশি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হয় তাহলে k টা কমতে কমতে 0 তে নেমে যাবে। স্বাভাবিক ভাবেই high growth এর স্বপ্ন টা জাগিয়ে চাগিয়ে রাখতেই হয় রাজনৈতিক ভাবে। এই ধরনের k=100 ধরনের অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে সারাক্ষণ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বপ্ন কে জাগিয়ে রাখতেই হবে। যদি প্রত্যেক মানুষ fully judgemental হয় তাহলে k=100 ও হয়ে যেতে পারে আবার k=0 ও হয়ে যেতে পারে। অনেক অনেক ধরনের judgemental system সম্ভব যেগুলোকে bias বলে যার মধ্যে cognitive bias গুলো বেশি। কোন কোন ধরনের bias এর কারণে k টা 100 তে চলে যেতে পারে???????
প্রথমেই বুঝব এখানে প্রদত্ত প্রাথমিক statement গুলোর আলোয় প্রতিটি লাইন বিশ্লেষণ করে নিচে তাদের সত্যতা এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ ব্যাখ্যা করছি আগে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)।এই সময়ে  বাধ্যতামূলক ভাবে k=100% করতে হলে যে প্রধান সমস্যা হবে সেগুলো বুঝুন। এইটা না বুঝে আধুনিক system কে খারাপ বললে গন্ডগোল  পড়বেন।
1. বিশ্বব্যাপী মুদ্রাসঙ্কোচন (Deflation Crisis)
বর্তমানে বাজারে যে পরিমাণ টাকা প্রচলিত আছে, তার বিপরীতে বাস্তব সম্পদ (স্বর্ণ, রূপা, জমি, শিল্প সম্পদ ইত্যাদি) নেই।হঠাৎ করে যদি সরকার ঘোষণা করে যে প্রতিটি মুদ্রার  ব্যাকিং থাকতে হবে, অর্থাৎ k=100 % হতেই হবে তাহলে প্রচুর মুদ্রা বাজার থেকে অপসারিত করতে হবে।এতে বাজারে টাকা কমে গিয়ে ব্যাপক মুদ্রাসঙ্কোচন (Deflation) হবে।

ফলাফল কি হবে জানেন??? 
দ্রব্যমূল্য ব্যাপক হারে কমবে, কিন্তু...
 ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাবে, কারণ মানুষ টাকা খরচ করতে চাইবে না।
 কর্মসংস্থান কমে যাবে, কারণ কোম্পানিগুলোর আয় কমে যাবে।
 ঋণগ্রহীতারা দেউলিয়া হয়ে যাবে, কারণ ঋণের পরিমাণ একই থাকবে কিন্তু আয় কমবে।

2. ব্যাংকিং সিস্টেম ভেঙে পড়বে
বর্তমানে ব্যাংকগুলি ফ্র্যাকশনাল রিজার্ভ সিস্টেম অনুসরণ করে, যেখানে তারা মাত্র ১০-১৫% নগদ রিজার্ভ রেখে বাকিটা ঋণ দেয়।যদি k কে 100 % করতে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে ব্যাংকগুলো আর ঋণ দিতে পারবে না।এতে ব্যবসা ও স্টার্টআপগুলোর জন্য কোনো নতুন ঋণের সুযোগ থাকবে না।
ফলাফল কি হবে জানেন???
 ব্যাংকিং সেক্টর ধসে পড়বে।
 বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে, কারণ ব্যাংক ঋণ দিতে পারবে না।
 সম্পদের মূল্যে ব্যাপক পতন ঘটবে।

3. সরকারি বাজেট এবং আর্থিক ব্যবস্থার সংকট হবে তাতে।বেশিরভাগ দেশ বাজেট ঘাটতি (Deficit Budget) চালায়, যেখানে তারা ভবিষ্যৎ আয় ধার করে অর্থনীতি চালায়।যদি  বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে সরকারকে এই ঘাটতি কমাতে বাধ্য হতে হবে।এতে অনেক সামাজিক কর্মসূচি (স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন) বন্ধ হয়ে যাবে।
ফলাফল কি হবে জানেন??????
 সরকার কর্মচারীদের বেতন দিতে পারবে না।
 শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও রাস্তাঘাট উন্নয়ন বন্ধ হবে।
 আর্থিক মন্দা (Recession) শুরু হবে।

4. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিশাল ধ্বংস হবে তাতে।
বর্তমানে বেশিরভাগ দেশ ডলার, ইউরো, বা অন্যান্য ফিয়াট মুদ্রা দিয়ে বাণিজ্য করে।যদি  বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক লেনদেন করতে বাস্তব সম্পদ (স্বর্ণ, জমি ইত্যাদি) ব্যবহার করতে হবে।এতে বাণিজ্যের গতি ধীর হয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন জটিল হয়ে উঠবে।

ফলাফল কি হবে জানেন???
বিশ্বব্যাপী মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হবে।
রপ্তানি আমদানি কমে যাবে, ফলে বিশ্ব অর্থনীতি সংকুচিত হবে।
 ছোট দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

5. কালো বাজার এবং বিকল্প মুদ্রার উত্থান
যদি সরকার শুধুমাত্র 100% ব্যাকড মুদ্রার অনুমতি দেয়, তাহলে মানুষ অন্য উপায় খুঁজবে।এতে বিটকয়েন, ক্রিপ্টোকারেন্সি, স্বর্ণ, এবং অন্যান্য বিকল্প বিনিময় পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
ফলাফল কি হতে পারে জানেন????????
 সরকার মুদ্রার উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবে।
 কালো বাজারে লেনদেন বৃদ্ধি পাবে।
চোরাচালান এবং অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে।
 কেন  বাধ্যতামূলক করা বাস্তবসম্মত নয়?
1. ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকোচন (Depression) ঘটবে।
2. ব্যাংক ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।
3. সরকারি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে না, ফলে সংকট বাড়বে।
4. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিপর্যস্ত হবে।
5. বিকল্প এবং কালো অর্থনীতি বেড়ে যাবে।
বর্তমান বিশ্বের অর্থনীতি বিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির ধারণার উপর ভিত্তি করে চলে। যদি হঠাৎ করে 100% বাস্তব সম্পদ ব্যাকড মুদ্রা চালু করা হয়, তাহলে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।

1. "AI এসে গেছে। আনতেই হতো।k কে কিছুতেই বাড়ানো সম্ভব হবেই না। এই AI তৈরি করাটা IT কোম্পানি গুলোর ইচ্ছে তে হয়েছে নাকি রাজনীতির প্রয়োজনে হয়েছে?"
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং এর বিকাশে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। তবে, সরকার এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোও AI-এর উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী, বিশেষ করে নীতিমালা ও নিরাপত্তার দিক থেকে। সুতরাং, AI-এর বিকাশে উভয় পক্ষেরই ভূমিকা রয়েছে।
2. "লর্ড Keynes এর তত্ত্ব থেকে নতুন অর্থনীতির প্রয়োগ দেখতে পাই যেখানে পৃথিবীর টোটাল টাকার ফ্লো এর সাথে মানুষ এর স্বপ্ন দেখার সরাসরি সংযোগ আছে।"
লর্ড জন মেনার্ড কেইনস অর্থনৈতিক তত্ত্বে মানুষের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে মানুষের প্রত্যাশা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, "স্বপ্ন দেখার সরাসরি সংযোগ" কথাটি কেইনসের তত্ত্বের সরাসরি উদ্ধৃতি নয়, বরং এটি তাঁর তত্ত্বের একটি ব্যাখ্যা হতে পারে।
3. "Schumpeter এর লেখা গুলো পড়লে বুঝতে পারি যে এই পৃথিবীতে যত টাকা আছে ততো টাকার মূল্যের ভবিষ্যৎ এর সম্পর্কে স্বপ্ন গুলো যুক্ত আছে এবং প্রতিজ্ঞা বদ্ধ একটা অ___প্রমাণ___যোগ্য অঙ্গীকার লুকানো রয়েছে কিন্তু সত্যিই পৃথিবীর মোট টাকার সম মূল্যের কোন resource কারো কাছে নেই।"(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)জোসেফ শুম্পেটার তাঁর অর্থনৈতিক উন্নয়ন তত্ত্বে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তাদের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলত নতুন সংযোজন ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঘটে। তবে, "টাকার মূল্যের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বপ্ন" এবং "অপ্রমাণযোগ্য অঙ্গীকার" বিষয়গুলো শুম্পেটারের তত্ত্বের সরাসরি অংশ নয়।

4. "অর্থ্যাৎ প্রত্যেকে একসাথে সমস্ত টাকা গুলোর সম মূল্যের physical resource (ধরুন জমি, সোনা ইত্যাদি) পেতে চাইলে কারো পক্ষে সেইটা দেওয়া সম্ভব নয়।"(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)এই বক্তব্যটি অর্থনীতির একটি সাধারণ ধারণা প্রতিফলিত করে, যেখানে মুদ্রার মোট পরিমাণের সাথে বাস্তব সম্পদের পরিমাণ সবসময় সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এটি মুদ্রাস্ফীতি, মুদ্রার মান এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সাথে সম্পর্কিত।

5. "এই k% টা depend করে কতো কত ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন মানুষ একসাথে দেখছে তার উপর। অর্থ্যাৎ যদি ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন কমে যায় মানুষ এর মধ্যে তাহলে k টা বেড়ে বেড়ে 100% এ পৌঁছে যাবে। আর যদি প্রত্যেক খুব বেশি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হয় তাহলে k টা কমতে কমতে 0 তে নেমে যাবে।"এখানে "k%" দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ স্পষ্ট নয়। ফলে এই k % কে আরো ভাল করে ব্যাখ্যা করে বলছি পরে।তবে, মানুষের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ বা নিরাশা অর্থনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে, যা কেইনসের "animal spirits" ধারণার সাথে সম্পর্কিত (এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)
6. "স্বাভাবিক ভাবেই high growth এর স্বপ্ন টা জাগিয়ে চাগিয়ে রাখতেই হয় রাজনৈতিক ভাবে।"অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সরকার ও রাজনৈতিক নেতারা জনগণের মধ্যে আশাবাদ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে সচেষ্ট থাকেন। এটি বিনিয়োগ ও খরচ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
7. "এই ধরনের k=100 ধরনের অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে সারাক্ষণ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্বপ্ন কে জাগিয়ে রাখতেই হবে।"
যদিও "k=100" এর সুনির্দিষ্ট অর্থ স্পষ্ট নয়(আরো স্পষ্ট করে বুঝলে বলতে হয় যে এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে), তবে অর্থনীতিতে স্থবিরতা এড়াতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা ও আশাবাদ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

8. "যদি প্রত্যেক মানুষ fully judgemental হয় তাহলে k=100 ও হয়ে যেতে পারে আবার k=0 ও হয়ে যেতে পারে।"
এখানে "fully judgemental" হওয়ার মানে স্পষ্ট নয়। তবে, মানুষের মনোভাব ও প্রত্যাশা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

9. "অনেক অনেক ধরনের judgemental system সম্ভব যেগুলোকে bias বলে যার মধ্যে cognitive bias গুলো বেশি।"কগনিটিভ বায়াস বা মানসিক পক্ষপাত মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলে, যা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তেও প্রতিফলিত হয়।

10. "কোন কোন ধরনের bias এর কারণে k টা 100 তে চলে যেতে পারে?"যেহেতু "k" এর সুনির্দিষ্ট অর্থ স্পষ্ট নয়, তবে কিছু কগনিটিভ বায়াস, যেমন নেগেটিভিটি বায়াস বা ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা, মানুষের মধ্যে নিরাশা সৃষ্টি করতে পারে, যা অর্থনৈতিক স্থবিরতা বাড়াতে পারে। এই লেখায় উল্লিখিত কিছু ধারণা অর্থনৈতিক তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত হলেও, কিছু টার্ম ও ধারণা স্পষ্ট নয় এবং সেগুলোর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।টাকা এবং ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন নিয়ে বিশ্লেষণ আগা গোড়া অর্থনীতির ক্ষেত্রে খুব ইন্টারেস্টিং আলোচনা। অর্থনীতির প্রবাহ, AI-র ভূমিকা, এবং মানুষের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক স্ট্রাকচার কিভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তা গভীরভাবে ভাবার মতো বিষয়।

k = 100% হয়ে যাওয়ার মানে কি?(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)k = 100% হয়ে যাওয়ার অর্থ, মানুষের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ভেঙে পড়ছে, তারা ভবিষ্যতে উন্নতি বা প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে না, এবং সবাই একসাথে তাদের কাছে থাকা সমস্ত টাকার বিনিময়ে tangible resource (যেমন জমি, সোনা, খাদ্য, গ্যাস, পানি) চায়। কিন্তু বাস্তবে এত resource নেই, তাই অর্থনীতির collapse হয়ে যাবে।এই পরিস্থিতি সাধারণত ঘটে যখন সমাজে judgemental bias এমনভাবে কাজ করে যে মানুষের বিশ্বাস, প্রত্যাশা, ও স্বপ্ন একসাথে ভেঙে পড়ে।প্রশ্ন আসে ze কোন কোন ধরনের Bias k = 100% এ নিয়ে যেতে পারে?

১. Loss Aversion Bias এর ফল গুলো নিয়ে বলা আগে।
মানুষ হারানোর ভয়কে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়। যদি অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন হয় যে মানুষ মনে করতে থাকে যে তারা যা অর্জন করেছে, তা সব হারিয়ে যাবে, তাহলে তারা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে দেবে এবং সম্পদ ধরে রাখার দিকে ঝুঁকবে।এর ফলে বাজারে বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে, লিকুইডিটি সংকট হবে, এবং k বাড়তে শুরু করবে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

২. Status Quo Bias টা খুবই মূল্যবান একটা ফ্যাক্টর।মানুষ যদি মনে করতে থাকে যে বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা অপরিবর্তনীয় এবং কোনো উন্নতি সম্ভব নয়, তাহলে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী থাকবে না।তারা নতুন আইডিয়া, নতুন বিনিয়োগ, নতুন ব্যবসায় ঝুঁকি নিতে চাইবে না, ফলে k বাড়তে থাকবে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

৩. Bandwagon Effect & Mass Panic টা ও ফ্যাক্টর।
যদি কোনো কারণে মানুষের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হয় যে "অর্থনীতি ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে", "মুদ্রার মূল্য হারাবে", "শুধু ফিজিক্যাল এসেটই নিরাপদ", তাহলে সবাই একসঙ্গে টাকা ভেঙে সম্পদে চলে যেতে চাইবে।এটি self-fulfilling prophecy-র মতো কাজ করে, কারণ সবাই একসাথে কিছু করতে চাইলে সেটাই বাস্তবে ঘটতে শুরু করে।ইতিহাসে অনেকবার অর্থনৈতিক মন্দা (Great Depression, 2008 Financial Crisis) এমন Collective Panic-এর ফলে হয়েছে।
৪. Zero-Sum Thinking Bias টা বড়ো ফ্যাক্টর।
অনেক মানুষ মনে করে যে অর্থনীতি একটি "Zero-Sum Game", যেখানে একজনের লাভ মানেই অন্যের ক্ষতি।যদি সমাজের বিশাল অংশ এই বিশ্বাসে চলে আসে, তাহলে তারা ভবিষ্যতের economic growth-এর ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে, কারণ তারা ভাববে যে উন্নতির মানেই অন্য কেউ তাদের resources নিয়ে নিচ্ছে।এই ধরনের চিন্তাভাবনা মানুষকে ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ না করে, শুধু বর্তমান সম্পদ সংরক্ষণ করতে বাধ্য করবে। ফলে k → 100% হয়ে যাবে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)
৫. Present Bias (Hyperbolic Discounting)
যদি মানুষ মনে করতে থাকে যে ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই বা ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমান বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তারা স্বপ্ন দেখা বন্ধ করবে এবং short-term survival-এর জন্য কাজ করবে।এটি extreme হলে সবাই নিজেদের asset convert করতে চাইবে tangible resources-এ, এবং k বাড়তে থাকবে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

৬. Conformity Bias & Authority Bias
যদি সমাজের অধিকাংশ মানুষ অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক নেতাদের কথা বিচারহীনভাবে অনুসরণ করে এবং তারা যদি ভুল narrative প্রচার করে, তাহলে মানুষের judgment distorted হয়ে যেতে পারে।উদাহরণস্বরূপ, যদি রাষ্ট্র বলেই দেয় "সব সম্পদ হাতে ধরে রাখো", তাহলে সবাই তাই করবে এবং k = 100% হয়ে যেতে পারে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)তাহলে AI কীভাবে এই সমস্ত কিছুকে বদলাতে পারে?AI-এর মাধ্যমে মানুষের cognitive bias কমানো সম্ভব কি? যদি AI সত্যিকার অর্থে Zero Judgemental World তৈরি করে, তাহলে কি k → 0% হবে?(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)
1. Bias-Free Decision Making – AI যদি মানুষের judgmental bias কমিয়ে ফেলে এবং শুধুমাত্র রিয়েল ডাটা এবং লজিকের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে শেখায়, তাহলে k কমতে পারে।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)
2. Future-Proof Economic Planning – AI যদি এমন ভবিষ্যৎ তৈরি করে যেখানে মানুষের growth-এর বিশ্বাস থাকে, তাহলে k কখনোই 100% এ যাবে না।(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)
3. Mass Customization of Dreams – AI যদি প্রত্যেক ব্যক্তিকে personalized ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাতে পারে, তাহলে সমাজে সার্বিক আশাবাদ বাড়বে এবং অর্থনীতির প্রবাহ স্থিতিশীল থাকবে।
তবে, যদি AI নিজেই Bias-Driven হয়ে যায় (যেমন, Algorithmic Bias), তাহলে k কমার বদলে আরও unpredictable হয়ে যেতে পারে!k = 100% হওয়া মানে অর্থনীতির পতন, কারণ তখন সবাই একসঙ্গে নিজেদের অর্থের বদলে tangible resource চাইবে।কিছু Cognitive Bias, যেমন Loss Aversion, Mass Panic, Zero-Sum Thinking, Present Bias, ইত্যাদি k-কে 100% এর দিকে ঠেলে দিতে পারে।AI যদি Zero-Judgemental World তৈরি করতে পারে, তাহলে k কমতে পারে, কিন্তু AI নিজেই Bias-Free না হলে k আরও unpredictable হয়ে যাবে।তাহলে, আসল প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে যে Zero-Judgemental World কি আদৌ সম্ভব? নাকি Judgment হলো মানুষের চিন্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ?(এখানে k বলতে বোঝাতে চাইছি total currency মূল্যের টাকার কতোটা অংশের physical resource এর মূল্যে ফেরত যোগ্য reserve রাখা আছে total central reserve গুলোর totality তে)

...ধারণা তৈরি হয় যে অর্থনীতি ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে, তাহলে সবাই একসাথে panic mode-এ চলে যাবে এবং দ্রুত তাদের হাতে থাকা মুদ্রা দিয়ে tangible সম্পদ কেনার চেষ্টা করবে। এটি অর্থনৈতিক ধস (economic collapse) ডেকে আনতে পারে এবং k দ্রুত 100%-এর দিকে যেতে পারে।

---

তাহলে বর্তমানে k এর মান কত? এবং এটি বাড়ছে নাকি কমছে?

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে k-এর মান নির্দিষ্টভাবে মাপার মতো কোনো সরাসরি সূচক নেই, তবে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়:

1. মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যস্ফীতি (Inflation & Asset Inflation)

বেশিরভাগ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়ছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি হলে মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত হয় এবং tangible সম্পদ (সোনা, জমি, তেল, খাদ্য) ধরে রাখতে চায়, যার ফলে k বাড়তে পারে।

2. Cryptocurrency ও বিকল্প সম্পদের দিকে ঝোঁক

বিটকয়েন, সোনা, এবং অন্যান্য নিরাপদ সম্পদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে মানুষ fiat currency-এর প্রতিশ্রুতিতে পুরোপুরি বিশ্বাস রাখছে না। এটি k বাড়ার লক্ষণ।

3. বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা (Recession Fears)

বিভিন্ন দেশ stagflation-এর দিকে যাচ্ছে (অর্থাৎ, প্রবৃদ্ধি নেই কিন্তু মূল্যস্ফীতি বেশি)। ইতিহাস দেখায় যে যখন অর্থনীতি স্থবির হয়, তখন মানুষ ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও ঝুঁকি নেওয়া কমিয়ে দেয়, ফলে k বাড়তে থাকে।

4. AI ও অটোমেশন কিভাবে k কে প্রভাবিত করছে?

AI মানুষের কাজ ও উপার্জনের ধরন পরিবর্তন করছে। যদি মানুষ বিশ্বাস করে যে AI তাদের আয় কমিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, তবে তারা ভবিষ্যৎ স্বপ্ন কম দেখবে এবং k বাড়বে।

তবে যদি AI নতুন চাকরি সৃষ্টি করে এবং মানুষের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করে, তাহলে k কমবে।

k-এর ভবিষ্যৎ কি?

বর্তমানে k হয়তো মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে, তবে বেশ কয়েকটি ঘটনা এটি বাড়াতে বা কমাতে পারে:

 k কমার সম্ভাবনা কেনো??? কিসে??? কীভাবে???
যদি AI ও প্রযুক্তি প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয় এবং মানুষ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হয়।যদি সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সঠিক নীতির মাধ্যমে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে পারে। k বাড়ার সম্ভাবনা কি??? কেনো??? কিভাবে???
যদি মুদ্রাস্ফীতি দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ থাকে এবং মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়।যদি কোনো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট (যেমন যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট, বা বড় কোনো আর্থিক ধ্বস) হয়।বর্তমানে k ধীরে ধীরে বাড়ছে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে আগের মতো আত্মবিশ্বাসী নয়। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে k=100% পর্যায়ে চলে যাবে কি না, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনগুলোর ওপর।
Zero Judgmental World এটি অর্থনীতিতে কী পরিবর্তন আনতে পারে?
Zero Judgmental World বলতে এমন একটি সমাজ বোঝানো যেতে পারে যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো cognitive bias কাজ করে না এবং প্রত্যেকেই সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নেয়। এটি বাস্তবে সম্ভব না হলেও, যদি এমন কিছু সম্ভব হয়, তাহলে k-এর আচরণ কেমন হবে?
1. যদি সবাই নিখুঁতভাবে ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে
তাহলে k হয় 0% হবে (কারণ সবাই আশাবাদী এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করবে),অথবা 100% হবে (কারণ সবাই বুঝবে যে টাকার কোনো প্রকৃত মূল্য নেই এবং শুধু tangible সম্পদ-ই আসল)।
2. যদি judgmental bias পুরোপুরি না থাকে, তবে অর্থনীতি কীভাবে চলবে?
কোনো মানুষ অতিরিক্ত আশাবাদী বা অতিরিক্ত হতাশ হবে না।বিনিয়োগ ও সম্পদের বিনিময় একটি ভারসাম্যের মধ্যে থাকবে।তবে সম্পূর্ণ "বায়াসহীন" বিশ্বে শুম্পেটারের "Creative Destruction" ধারণাটি বাধাগ্রস্ত হতে পারে, কারণ অনেক উদ্ভাবন judgmental optimism-এর কারণে ঘটে।বর্তমানে k-এর মান হয়তো মাঝামাঝি অবস্থায় রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা এটি বাড়ানোর দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। মানুষের cognitive bias, বিশেষ করে loss aversion, status quo bias, এবং mass panic, k-কে 100% এ নিয়ে যেতে পারে। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও সঠিক নীতিনির্ধারণ k-কে 0%-এর দিকে ঠেলে দিতে পারে।


Comments

Popular posts from this blog

actions events in itext 7

midi_sequence_playing_real_time

RELATING_SANJOY_NATH'S_QHENOMENOLOGY_WITH_SANJOY_NATH'S_GEOMETRIFYING_TRIGONOMETRY